Anleptic CR 200 mg ব্যবহৃত হয়ঃ
- আংশিক খিঁচুনি এবং সেকেন্ডারি জেনারালাইজড টনিক-ক্লোনিক খিঁচুনি
- প্রাইমারি জেনারালাইজড টনিক-ক্লোনিক খিঁচুনি
- ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়া
- বাইপোলার ডিসঅর্ডার প্রতিরোধে
Anleptic CR 200 mg ব্যবহৃত হয়ঃ
কার্বামাজেপাইন থ্যালামাসের ভেন্ট্রাল নিউক্লিয়াসে কাজ করে স্নায়ুর অতিরিক্ত উত্তেজনা কমায়। এটি উত্তেজক সংকেতের বিস্তার কমায় এবং কোষঝিল্লির মাধ্যমে সোডিয়াম আয়নের প্রবাহ সীমিত করে পুনরাবৃত্ত স্নায়বিক ডিসচার্জ কমায়। এছাড়াও এটি অ্যান্টিডাইউরেটিক হরমোন (ADH) নিঃসরণ বৃদ্ধি করে এবং এর কার্যকারিতা বাড়িয়ে শরীরে পানি পুনঃশোষণ বৃদ্ধি করে।
এপিলেপসি:
কম্বিনেশন থেরাপি: কার্বামাজেপিন একা বা অন্যান্য অ্যান্টিকনভালস্যান্টের সাথে ব্যবহার করা যেতে পারে। অন্য ওষুধের সাথে যোগ করার ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে ডোজ বাড়াতে হবে এবং অন্যান্য ওষুধ ধীরে কমাতে হবে, তবে ফেনিটয়েনের ক্ষেত্রে ডোজ বাড়াতে হতে পারে।
ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়া: প্রাথমিক: প্রথম দিনে ২০০ মিগ্রা (ট্যাবলেট বা কন্ট্রোলড রিলিজ ট্যাবলেটের জন্য ১০০ মিগ্রা দিনে ২ বার বা সাসপেনশনের জন্য ১/২ চা-চামচ দিনে ৪ বার)। প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতি ১২ ঘণ্টায় ১০০ মিগ্রা করে বাড়িয়ে দৈনিক সর্বোচ্চ ১২০০ মিগ্রা পর্যন্ত নেওয়া যেতে পারে। রক্ষণাবেক্ষণ: অধিকাংশ রোগীর ক্ষেত্রে ৪০০-৮০০ মিগ্রা দৈনিক ডোজে ব্যথা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। কিছু রোগীর ক্ষেত্রে ২০০ মিগ্রা যথেষ্ট, আবার কারও ১২০০ মিগ্রা পর্যন্ত প্রয়োজন হতে পারে। প্রতি ৩ মাস অন্তর ডোজ কমানোর চেষ্টা করা উচিত বা ওষুধ বন্ধ করার চেষ্টা করা যেতে পারে। ট্যাবলেট বা সিরাপ খাবারের সাথে বা ছাড়া নেওয়া যেতে পারে।
যাদের কার্বামাজেপাইন বা এর কোনো উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এই ওষুধ ব্যবহার করা যাবে না। এছাড়াও নিম্নোক্ত অবস্থায় এটি ব্যবহার নিষিদ্ধঃ
সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে মাথা ঘোরা, তন্দ্রা, চলাফেরায় অসামঞ্জস্য (অ্যাটাক্সিয়া), মুখ শুকিয়ে যাওয়া, পেটে ব্যথা, বমিভাব, বমি, ক্ষুধামন্দা, শ্বেত রক্তকণিকা কমে যাওয়া (লিউকোপেনিয়া), প্রস্রাবে প্রোটিন, হৃদস্পন্দন ধীর হওয়া (ব্র্যাডিকার্ডিয়া), হৃদযন্ত্রের অকার্যকারিতা এবং নিম্ন রক্তচাপ। ত্বকে র্যাশ ও অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া হতে পারে।
গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রক্ত তৈরির সিস্টেম, ত্বক এবং কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমে দেখা যেতে পারে। চিকিৎসার শুরুতে মাথা ঘোরা, তন্দ্রা, ভারসাম্যহীনতা, বমিভাব ও বমি বেশি দেখা যায়। এই ওষুধ সূর্যালোকের প্রতি সংবেদনশীলতা বাড়াতে পারে। তাই অতিরিক্ত রোদ, সানল্যাম্প বা ট্যানিং এড়িয়ে চলা উচিত। বাইরে দীর্ঘ সময় থাকলে সানস্ক্রিন বা সুরক্ষামূলক পোশাক ব্যবহার করা ভালো।
প্রেগন্যান্সি ক্যাটেগরি D। কার্বামাজেপাইন এবং এর সক্রিয় মেটাবোলাইট বুকের দুধে নিঃসৃত হয়। সম্ভাব্য গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে স্তন্যদান বন্ধ করবেন নাকি ওষুধ বন্ধ করবেন—এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
এই ওষুধ মাথা ঘোরা ও তন্দ্রা সৃষ্টি করতে পারে। তাই গাড়ি চালানো বা যন্ত্রপাতি পরিচালনার মতো সতর্কতা প্রয়োজন এমন কাজ করার সময় সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।
চিকিৎসাকালে ত্বকের প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। যদি র্যাশ, ত্বক ওঠা, চুলকানি বা অন্য কোনো অস্বাভাবিক ত্বকের সমস্যা দেখা যায়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
কদাচিৎ এই ওষুধ লিভারের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। যদি চুলকানি, ত্বক বা চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া, গাঢ় প্রস্রাব, বমিভাব, বমি, পেট ব্যথা, ক্ষুধামন্দা বা ফ্লু-এর মতো উপসর্গ দেখা যায়, তাহলে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করা উচিত।
কার্বামাজেপাইন ইস্ট্রোজেন ও/অথবা প্রোজেস্টেরনযুক্ত হরমোনাল কন্ট্রাসেপটিভের কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে, ফলে গর্ভনিরোধে ব্যর্থতা বা অনিয়মিত রক্তপাত হতে পারে।
যেসব নারী এই ওষুধ সেবনের সময় গর্ভনিরোধ চান, তাদের অন্তত ৫০ মাইক্রোগ্রাম ইস্ট্রোজেনযুক্ত কন্ট্রাসেপটিভ ব্যবহার করা বা নন-হরমোনাল পদ্ধতি (যেমন কন্ডম) ব্যবহার করা উচিত।
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া হঠাৎ করে এই ওষুধ বন্ধ করা উচিত নয়, কারণ এতে উপসর্গ বেড়ে যেতে পারে। বন্ধ করার প্রয়োজন হলে ধীরে ধীরে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে বন্ধ করতে হবে।
নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন:
প্রাইমারি অ্যান্টি-এপিলেপ্টিক ড্রাগস
৩০°সে এর নিচে তাপমাত্রায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
কার্বামাজেপাইন কিসের ওষুধ?
কার্বামাজেপাইন এর কাজ কি?
কার্বামাজেপাইন এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলো কি কি?
কার্বামাজেপাইন বেশি খেলে কি হয়?
গর্ভাবস্থায় কার্বামাজেপাইন খাওয়া যাবে কি?