ভিটামিন B1 কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অ্যামিনো অ্যাসিডকে শক্তিতে রূপান্তর করে। এটি স্নায়ুর সুস্থ কার্যকারিতা বজায় রাখতে, মেজাজ উন্নত করতে, হৃদযন্ত্রকে শক্তিশালী করতে এবং সামগ্রিক শক্তি বিপাকে সহায়তা করে। ভিটামিন B6 লোহিত রক্তকণিকা গঠন, প্রোটিন সংশ্লেষণ এবং সেরোটোনিনের মতো নিউরোট্রান্সমিটার তৈরিতে অংশগ্রহণ করে। এটি সঞ্চিত শক্তি মুক্ত করতে সহায়তা করে, হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে, বিষণ্নতা উপশমে সহায়তা করে এবং অনিদ্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে। ভিটামিন B12 কোষ বিভাজন এবং লোহিত রক্তকণিকা তৈরির জন্য অত্যাবশ্যক। এটি রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে সহায়তা করে, স্নায়ুর কার্যকারিতা বজায় রাখে, স্নায়ুব্যথা, অবশভাব এবং ঝিনঝিনি অনুভূতি কমাতে সাহায্য করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাসে ভূমিকা রাখতে পারে।
মৌখিকভাবে গ্রহণের পর এই ভিটামিনগুলো ভালোভাবে শোষিত হয় এবং স্তনের দুধসহ শরীরের অধিকাংশ টিস্যুতে বিস্তৃত হয়। কোষের মধ্যে থায়ামিন প্রধানত ডাইফসফেট আকারে থাকে। থায়ামিন শরীরে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে সঞ্চিত থাকে না এবং অতিরিক্ত অংশ অপরিবর্তিত অবস্থায় বা মেটাবোলাইট আকারে প্রস্রাবের মাধ্যমে বের হয়ে যায়। মৌখিক গ্রহণের পর পাইরিডক্সিন, পাইরিডক্সাল এবং পাইরিডক্সামিন সহজেই গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্ট থেকে শোষিত হয় এবং সক্রিয় রূপ পাইরিডক্সাল ফসফেট ও পাইরিডক্সামিন ফসফেটে রূপান্তরিত হয়। এগুলো প্রধানত লিভারে সঞ্চিত থাকে এবং ৪-পাইরিডক্সিক অ্যাসিড ও অন্যান্য নিষ্ক্রিয় মেটাবোলাইটে রূপান্তরিত হয়ে প্রস্রাবের মাধ্যমে নির্গত হয়। ডোজ বৃদ্ধির সাথে সাথে অপরিবর্তিত অবস্থায় নির্গত পরিমাণও অনুপাতে বৃদ্ধি পায়।