প্রফিল্যাক্সিস: হালকা রক্তক্ষরণ বা রক্তক্ষরণের প্রবণতা: নবজাতকদের জন্য সাধারণ ডোজ হলো ২ মি.গ্রা. মুখে সেবনযোগ্যভাবে জন্মের সময় বা জন্মের ঠিক পরে। এরপর ৪-৫ দিনে ২ মি.গ্রা. এবং ২৮-৩০ দিনে আরও ২ মি.গ্রা. মুখে দিতে হবে। যদি মুখে গ্রহণযোগ্য না হয়, তবে ২ মি.গ্রা. ওষুধ IM বা IV পথে দেওয়া যেতে পারে।
১ বছরের বেশি বয়সী শিশু: ৫-১০ মি.গ্রা. মুখে দেওয়া যেতে পারে। যেসব শিশু দ্বিতীয় মৌখিক ডোজ পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই অথবা স্তন্যপানকারী শিশুদের ক্ষেত্রে তৃতীয় মৌখিক ডোজ পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই, তাদের ক্ষেত্রে ১ মি.গ্রা. (০.১ মি.লি.) IM একক ডোজ সুপারিশ করা হয়।
চিকিৎসা: শুরুতে ১ মি.গ্রা. শিরায় ইনজেকশন দিতে হবে, পরবর্তীতে ক্লিনিক্যাল অবস্থা ও কোয়াগুলেশন স্ট্যাটাস অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ডোজ দিতে হবে।
বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ নবজাতক: অপরিপক্বতা, জন্মকালীন শ্বাসকষ্ট (জন্মের সময় অক্সিজেনের ঘাটতি), অবস্ট্রাকটিভ জন্ডিস, গিলতে না পারা, মায়ের অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট বা অ্যান্টি-এপিলেপটিক ওষুধ ব্যবহার—এদের ক্ষেত্রে
- ১ মি.গ্রা. জন্মের সময় বা জন্মের কিছুক্ষণ পর IM বা IV দেওয়া যেতে পারে যদি মুখে গ্রহণযোগ্য না হয়।
- ২.৫ কেজির কম ওজনের অপরিপক্ব শিশুদের ক্ষেত্রে IM এবং IV ডোজ ০.৪ মি.গ্রা./কেজির বেশি হওয়া যাবে না।
- পরবর্তী ডোজের পরিমাণ ও ঘনত্ব কোয়াগুলেশন স্ট্যাটাস অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে।
নবজাতকের সম্পূর্ণ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে, উপরে উল্লেখিত ডোজিং শিডিউল অনুযায়ী ভিটামিন K-এর ৩টি প্রফিল্যাক্টিক ডোজ মুখে দিতে হবে।