Pilocarpine ব্যবহৃত হয়:
- মাথা ও ঘাড়ের ক্যান্সারের জন্য রেডিওথেরাপির কারণে লালাগ্রন্থির কার্যকারিতা কমে গিয়ে মুখ শুষ্ক হয়ে যাওয়া (xerostomia) এর উপসর্গের চিকিৎসায়।
- Sjögren’s syndrome রোগীদের মুখ শুষ্কতার উপসর্গের চিকিৎসায়।
Pilocarpine ব্যবহৃত হয়:
Pilocarpine একটি কোলিনার্জিক অ্যাগোনিস্ট, যা প্রধানত মুসকারিনিক রিসেপ্টরের মাধ্যমে বিস্তৃত ফার্মাকোলজিক্যাল প্রভাব প্রদর্শন করে। সঠিক মাত্রায় এটি এক্সোক্রাইন গ্রন্থি যেমন লালাগ্রন্থি, ঘামগ্রন্থি, অশ্রুগ্রন্থি, পাকস্থলী, অগ্ন্যাশয়, অন্ত্র এবং শ্বাসতন্ত্রের মিউকাস কোষ থেকে নিঃসরণ বাড়ায়। এটি মূত্রনালি, পিত্তথলি, পিত্তনালী এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্টের মসৃণ পেশীর টোন ও গতিশীলতা বৃদ্ধি করতে পারে।
Head & Neck Cancer রোগীদের ক্ষেত্রে: পিলোকারপিন হাইড্রোক্লোরাইড ট্যাবলেটের প্রাথমিক ডোজ হলো দিনে ৩ বার ১টি ট্যাবলেট। চিকিৎসাগত প্রতিক্রিয়া ও সহনশীলতার উপর ভিত্তি করে ডোজ সমন্বয় করতে হবে। সর্বোচ্চ দৈনিক ডোজ ৩০ মি.গ্রা. (প্রতি ডোজে ১০ মি.গ্রা. এর বেশি নয়)। ২–৩ মাস চিকিৎসার পর কোনো উন্নতি না হলে থেরাপি বন্ধ করতে হবে।
Sjogren’s syndrome এর ক্ষেত্রে: পিলোকারপিন HCl ট্যাবলেটের সুপারিশকৃত ডোজ হলো দিনে ৪ বার ৫ মি.গ্রা. (১টি ট্যাবলেট)। ৬ সপ্তাহ ব্যবহারে কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
পিলোকারপিন ট্যাবলেট খাবারের সময় বা খাবারের ঠিক পরে এক গ্লাস পানি দিয়ে গ্রহণ করতে হবে। শেষ ট্যাবলেটটি অবশ্যই রাতের খাবারের সাথে গ্রহণ করতে হবে। নির্দেশনা যাই হোক না কেন, মাঝারি মাত্রার লিভারজনিত সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে প্রাথমিক ডোজ হবে দিনে ২ বার ১টি ট্যাবলেট, এরপর চিকিৎসাগত প্রতিক্রিয়া ও সহনশীলতার উপর ভিত্তি করে ডোজ সমন্বয় করতে হবে। মৃদু লিভার অকার্যকারিতাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে ডোজ কমানোর প্রয়োজন নেই।
Beta-adrenergic antagonists (beta-blockers) গ্রহণকারী রোগীদের ক্ষেত্রে pilocarpine সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে, কারণ এতে কার্ডিয়াক কনডাকশন সমস্যা হতে পারে। এটি একসাথে ব্যবহৃত anticholinergic ওষুধের কার্যকারিতাও কমিয়ে দিতে পারে।
অনিয়ন্ত্রিত অ্যাজমা, হৃদরোগ, pilocarpine-এর প্রতি অতিসংবেদনশীলতা থাকলে এটি ব্যবহার করা যাবে না। এছাড়া যেসব অবস্থায় পিউপিল সংকোচন অনুচিত, যেমন অ্যাকিউট আইরাইটিস এবং ন্যারো-অ্যাঙ্গেল (অ্যাঙ্গেল ক্লোজার) গ্লুকোমা, সেসব ক্ষেত্রেও এটি নিষিদ্ধ।
সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে থাকতে পারে মাথাব্যথা, দৃষ্টিশক্তির সমস্যা, অতিরিক্ত চোখের পানি পড়া, ঘাম বৃদ্ধি, শ্বাসকষ্ট, পেটের খিঁচুনি, বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া, হৃদস্পন্দনের পরিবর্তন (বেশি বা কম), রক্তচাপের পরিবর্তন, এভি ব্লক, শক, মানসিক বিভ্রান্তি, হার্টের অনিয়মিত স্পন্দন এবং কাঁপুনি। অধিকাংশ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অতিরিক্ত প্যারাসিমপ্যাথেটিক উদ্দীপনার কারণে হয়, ডোজ নির্ভর এবং সাধারণত হালকা ও স্বল্পস্থায়ী।
গলস্টোন (cholelithiasis) বা পিত্তনালীর রোগ থাকলে pilocarpine সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে। যদি অতিরিক্ত ঘাম হয় এবং পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ করা না যায়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
গর্ভাবস্থা: ক্যাটাগরি C। গর্ভবতী নারীদের উপর পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রিত গবেষণা নেই। শুধুমাত্র উপকার ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে গর্ভাবস্থায় ব্যবহার করা উচিত।
স্তন্যদানকাল: এটি বুকের দুধে নিঃসৃত হয় কি না তা জানা যায়নি। প্রয়োজনে স্তন্যদান বা ওষুধ—যেকোনো একটি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
শিশুদের ক্ষেত্রে: শিশু রোগীদের মধ্যে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়।
Exocrine secretion-এ প্রভাব ফেলে এমন ওষুধ
পিলোকার্পিন হাইড্রোক্লোরাইড (ওরাল) কিসের ওষুধ ?
পিলোকার্পিন হাইড্রোক্লোরাইড (ওরাল) এর কাজ কি?
পিলোকার্পিন হাইড্রোক্লোরাইড (ওরাল) এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলো কি কি?
পিলোকার্পিন হাইড্রোক্লোরাইড (ওরাল) বেশি খেলে কি হয় ?
গর্ভাবস্থায় পিলোকার্পিন হাইড্রোক্লোরাইড (ওরাল) খাওয়া যাবে কি?