ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতার লক্ষণ প্রতিরোধ:
- ইনফ্যান্টাইল কোলিক (শিশুর পেটফাঁপা)
- পেটে ব্যথা
- পেট ফোলা ভাব
- গ্যাস্ট্রিক সমস্যা / পেটে গ্যাস জমা
- ডায়রিয়া
- বরবরিগ্মি (পেটের গড়গড় শব্দ)
ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতার লক্ষণ প্রতিরোধ:
ল্যাকটেজ একটি এনজাইম যা হাইড্রোলাইসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দুধের চিনি (ল্যাকটোজ) ভেঙ্গে গ্লুকোজ ও গ্যালাকটোজ উৎপন্ন করে এবং দুগ্ধজাত খাবারকে সহজপাচ্য করে ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতার লক্ষণ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
চিবিয়ে খাওয়ার ট্যাবলেট: দুগ্ধজাত খাবারের সাথে ১টি ট্যাবলেট। প্রয়োজনে একবারে সর্বোচ্চ ২টি ট্যাবলেট পর্যন্ত মাত্রা বাড়ানো বা কমানো যেতে পারে।
শিশুদের ড্রপ: নিম্নলিখিত নির্দেশনা অনুযায়ী বুকের দুধ বা ফর্মুলার সাথে ল্যাকটেজ এনজাইম মেশান।
বুকের দুধ:
ফর্মুলা:
আগে থেকে ফর্মুলা তৈরি করা:
ল্যাকটেজের পারস্পরিক ক্রিয়া সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ল্যাকটেজ বা পণ্যের অন্য যেকোনো উপাদানের প্রতি পরিচিত অতিপ্রতিক্রিয়াসম্পন্ন রোগীদের ক্ষেত্রে এই ঔষধটি প্রতিনির্দেশিত।
কোনো বড় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। যে খুব কম সংখ্যক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে তার মধ্যে রয়েছে র্যাশ, শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, বুক চেপে ধরা ইত্যাদি।
গর্ভাবস্থা: ল্যাকটেজ ভ্রূণের ক্ষতি করতে পারে কিনা তা অজানা। অতএব, গর্ভাবস্থায় ল্যাকটেজ শুধুমাত্র স্পষ্টভাবে প্রয়োজন হলেই দেওয়া উচিত দুগ্ধদান: ল্যাকটেজ মাতৃদুগ্ধে নিঃসৃত হয় কিনা তা অজানা। তাই, দুগ্ধদানের সময় ল্যাকটেজ শুধুমাত্র স্পষ্টভাবে প্রয়োজন হলেই দেওয়া উচিত।
শিশু: ৪ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের শিশুদের ক্ষেত্রে কার্যকর ও নিরাপদ।
এনজাইম
৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রার নিচে রাখুন, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
ল্যাকটেজ কীসের ওষুধ?
ল্যাকটেজ এর কাজ কি?
ল্যাকটেজ এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলো কি কি?
ল্যাকটেজ বেশি খেলে কি হয়?
গর্ভাবস্থায় ল্যাকটেজ খাওয়া যাবে কি?
No available drugs found