ডিমেনশিয়া-সম্পর্কিত সাইকোসিসসহ বয়স্ক রোগীদের সেরিব্রোভাসকুলার প্রতিক্রিয়া: স্ট্রোক বা ট্রান্সিয়েন্ট ইস্কেমিক অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়তে পারে; সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।
নিউরোলেপ্টিক ম্যালিগন্যান্ট সিনড্রোম: সন্দেহ হলে সঙ্গে সঙ্গে ওষুধ বন্ধ করে নিবিড় পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
টারডিভ ডিসকিনেসিয়া: উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসা বন্ধ করার বিষয় বিবেচনা করতে হবে।
দেরিতে দেখা দেওয়া পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: দীর্ঘ হাফ-লাইফের কারণে ওষুধ শুরু করার পর এবং ডোজ পরিবর্তনের পর কয়েক সপ্তাহ রোগীকে পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে।
মেটাবলিক পরিবর্তন: রক্তে গ্লুকোজ, লিপিড প্রোফাইল এবং শরীরের ওজন নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে।
লিউকোপেনিয়া, নিউট্রোপেনিয়া ও অ্যাগ্রানুলোসাইটোসিস: CBC পরীক্ষা করতে হবে, বিশেষ করে যাদের WBC কম; উল্লেখযোগ্য হ্রাস হলে ওষুধ বন্ধ করতে হবে।
অর্থোস্ট্যাটিক হাইপোটেনশন ও সিনকোপ: রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন পর্যবেক্ষণ করতে হবে; হৃদরোগ বা সেরিব্রোভাসকুলার রোগে সতর্কতা প্রয়োজন।
সিজার: খিঁচুনির ইতিহাস থাকলে বা ঝুঁকি থাকলে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।
কগনিটিভ ও মোটর ইমপেয়ারমেন্ট: মেশিন চালানো বা সতর্কতা প্রয়োজন এমন কাজ করার সময় সতর্ক থাকতে হবে।