কুইনাইন সালফেট নিম্নলিখিত অবস্থায় ব্যবহৃত হয়:
- জটিলতা বিহীন, গুরুতর এবং জটিল ফ্যালসিপারাম ম্যালেরিয়া
- অন্যান্য ওষুধে প্রতিরোধী ফ্যালসিপারাম ম্যালেরিয়া
- রাতে হওয়া পেশির খিঁচুনি প্রতিরোধে
- Thomsen’s disease-এ পেশির খিঁচুনি উপশমে
কুইনাইন সালফেট নিম্নলিখিত অবস্থায় ব্যবহৃত হয়:
কুইনাইন ম্যালেরিয়া পরজীবীর প্রোটিন বিপাক প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করে এবং নিউক্লিক অ্যাসিড সংশ্লেষণ বন্ধ করে কাজ করে বলে ধারণা করা হয়। এটি একটি শক্তিশালী ব্লাড স্কিজন্টিসাইড যা রক্তের লোহিত কণিকায় পরজীবীর অযৌন পর্যায়কে দমন করে। এটি ম্যালেরিয়া প্রতিরোধ এবং তীব্র আক্রমণের চিকিৎসা উভয় ক্ষেত্রেই কার্যকর।
প্রাপ্তবয়স্ক:
শিশু:
গর্ভাবস্থা: উপরোক্ত প্রাপ্তবয়স্কদের oral ও intravenous quinine (লোডিং ডোজসহ) চিকিৎসা ডোজ গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে নিরাপদভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
কুইনাইন সালফেট নিম্নলিখিত অবস্থায় ব্যবহার করা যাবে না: কুইনাইন বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা, অপটিক নিউরাইটিস, ব্ল্যাকওয়াটার ফিভারের ইতিহাস।
সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে সিঙ্কোনিজম অন্তর্ভুক্ত, যার লক্ষণ হলো কানে বাজা (tinnitus), মাথাব্যথা, বমিভাব এবং দৃষ্টিশক্তির সমস্যা। রক্তজনিত সমস্যা এবং ত্বকের প্রতিক্রিয়াও দেখা দিতে পারে।
গর্ভাবস্থায় কুইনাইন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ নয়। চিকিৎসা ডোজে এটি সাধারণত নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়। এটি মাতৃদুগ্ধে খুব অল্প পরিমাণে নিঃসৃত হয়, তাই প্রয়োজনে স্তন্যদানের সময়ও ব্যবহার করা যেতে পারে।
গুরুতর হৃদরোগ, মায়াস্থেনিয়া গ্রাভিস এবং ডায়াবেটিস মেলিটাস রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে। শিরায় (IV) ধীরে ধীরে দিতে হবে। মেফ্লোকুইন ও কুইনাইন সালফেট একসাথে ব্যবহার করলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে।
অ্যান্টি-ম্যালেরিয়াল ওষুধ
শীতল, শুষ্ক ও আলো থেকে দূরে সংরক্ষণ করতে হবে। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখতে হবে।
Quinine Sulfate কিসের ওষুধ?
Quinine Sulfate এর কাজ কি?
Quinine Sulfate এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলো কি কি?
Quinine Sulfate বেশি খেলে কি হয়?
গর্ভাবস্থায় Quinine Sulfate খাওয়া যাবে কি?
No available drugs found