ক্যাপসুল: প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য:
- ভিটামিন D3 ঘাটতির চিকিৎসা: ৪০০০০ IU প্রতি সপ্তাহে একবার ৭ সপ্তাহ। রক্ষণাবেক্ষণ ডোজ ১৪০০–২০০০ IU/দিন। ২৫ হাইড্রক্সিভিটামিন D এর লক্ষ্যমাত্রা নিশ্চিত করতে ৩–৪ মাস পরে পরীক্ষা করতে হবে।
- ভিটামিন D3 ঘাটতি প্রতিরোধ: প্রতি ৪ সপ্তাহে ২০০০০ IU। কিছু ক্ষেত্রে বেশি ডোজ প্রয়োজন হতে পারে।
- অস্টিওপোরোসিস চিকিৎসায় সহায়ক হিসেবে: প্রতি মাসে ২০০০০ IU একবার।
ক্যাপসুল: শিশু (১২–১৮ বছর):
- ভিটামিন D3 ঘাটতির চিকিৎসা: প্রতি ২ সপ্তাহে ২০০০০ IU, ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত।
- ভিটামিন D3 ঘাটতি প্রতিরোধ: প্রতি ৬ সপ্তাহে ২০০০০ IU।
ফিল্ম-কোটেড ট্যাবলেট: প্রতিদিন ১০০০ IU (১–২টি ট্যাবলেট) বা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী। খাবারের সাথে বা খাবারের ১ ঘণ্টার মধ্যে গ্রহণ করতে হবে।
ওরোফ্ল্যাশ বা চিউয়েবল ট্যাবলেট: প্রতিদিন ১০০০–২০০০ IU বা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী। খাবারের সাথে বা খাবারের ১ ঘণ্টার মধ্যে গ্রহণ করতে হবে। ট্যাবলেট মুখে নিয়ে চিবিয়ে তারপর গিলে ফেলতে হবে।
ওরাল সলিউশন:
- ১ বছর পর্যন্ত: প্রতিদিন ৪০০ IU বা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী।
- ১–১৮ বছর: প্রতিদিন ৬০০ IU বা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী।
ইনজেকশন: চিকিৎসার জন্য-
- রিকেটস: ২ সপ্তাহ অন্তর ১ অ্যাম্পুল ১ মাস, এরপর প্রতি ৪ মাসে ১ অ্যাম্পুল
- অস্টিওপোরোসিস: ২ সপ্তাহ অন্তর ১ অ্যাম্পুল ৩ মাস
- অস্টিওমালাসিয়া: ২ সপ্তাহ অন্তর ১ অ্যাম্পুল ৩ মাস
- হাইপোক্যালসেমিয়া জনিত টেটানি: প্রতি ৪ মাসে ১ অ্যাম্পুল (প্রয়োজনে ২ অ্যাম্পুল পর্যন্ত বাড়ানো যায়)
- মেনোপজ: প্রতি ৬ মাসে ১ অ্যাম্পুল
- ভিটামিন D3 ঘাটতি: ১ অ্যাম্পুল ১–৬ মাস পরে পুনরায় দেওয়া যেতে পারে
ইনজেকশন: প্রতিরোধের জন্য-
- গর্ভাবস্থা: ৬ষ্ঠ বা ৭ম মাসে ১/২ অ্যাম্পুল
- স্তন্যদানকালীন: প্রতি ৬ মাসে ১/২ অ্যাম্পুল
- ৫ বছর পর্যন্ত শিশু: প্রতি ৬ মাসে ১ অ্যাম্পুল
- কিশোর: প্রতি ৬ মাসে ১ অ্যাম্পুল
- বয়স্ক: প্রতি ৩ মাসে ১/২ অ্যাম্পুল
ইনজেকশনের ব্যবহারবিধি-
মুখে ব্যবহারের জন্য-
- ধাপ-১: অ্যাম্পুলের উপর আঙুল রেখে উপরের সরু অংশ ভেঙে ফেলুন
- ধাপ-২: অ্যাম্পুলের দ্রবণ চামচে ঢালুন
- ধাপ-৩: পানি বা দুধের সাথে মিশিয়ে গ্রহণ করুন
IM ব্যবহারের জন্য-
- ধাপ-১: অ্যাম্পুল ভেঙে নিন
- ধাপ-২: এরপর IM ইনজেকশন হিসেবে ব্যবহার করুন