থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া, অ্যানিমিয়া ও নিউট্রোপেনিয়া: রুক্সোলিটিনিব ব্যবহারে প্লেটলেট কমে যাওয়া, রক্তশূন্যতা ও নিউট্রোপেনিয়া হতে পারে। ডোজ কমানো বা সাময়িকভাবে বন্ধ করা প্রয়োজন হতে পারে। প্রয়োজনে প্লেটলেট বা রক্ত সঞ্চালন লাগতে পারে। গুরুতর নিউট্রোপেনিয়া হলে ওষুধ বন্ধ করে পুনরুদ্ধার পর্যবেক্ষণ করতে হবে। চিকিৎসা শুরুর আগে CBC পরীক্ষা করতে হবে এবং শুরুতে প্রতি ২–৪ সপ্তাহ পরপর CBC মনিটর করতে হবে।
সংক্রমণের ঝুঁকি: ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস, ভাইরাস ও মাইকোব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ দেখা দিতে পারে। সক্রিয় সংক্রমণ থাকলে চিকিৎসা শুরু করা উচিত নয়। রোগীদের সংক্রমণের লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
যক্ষ্মা (TB): যক্ষ্মা সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে। চিকিৎসা শুরুর আগে ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের স্ক্রিনিং করা উচিত। ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে উচ্চ TB প্রবণ এলাকায় ভ্রমণ, TB রোগীর সংস্পর্শ এবং পূর্ব ইতিহাস। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
PML: প্রগ্রেসিভ মাল্টিফোকাল লিউকোএনসেফালোপ্যাথি দেখা দিতে পারে। সন্দেহ হলে ওষুধ বন্ধ করে পরীক্ষা করতে হবে।
হারপিস জোস্টার: শিঙ্গেলস-এর লক্ষণ সম্পর্কে রোগীকে সতর্ক করতে হবে এবং দ্রুত চিকিৎসা নিতে পরামর্শ দিতে হবে।
হেপাটাইটিস বি: HBV ভাইরাস সক্রিয় হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী HBV রোগীদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
চিকিৎসা বন্ধের পর উপসর্গ বৃদ্ধি: ওষুধ বন্ধ করার পর প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে উপসর্গ ফিরে আসতে পারে। জ্বর, শ্বাসকষ্ট, নিম্ন রক্তচাপ বা অঙ্গ বিকলতা দেখা দিতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ করা যাবে না। ধীরে ধীরে ডোজ কমানো উচিত।
নন-মেলানোমা স্কিন ক্যান্সার: ত্বকের ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকতে পারে, তাই নিয়মিত ত্বক পরীক্ষা করা উচিত।
লিপিড বৃদ্ধি: কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড বেড়ে যেতে পারে। চিকিৎসা শুরুর ৮–১২ সপ্তাহ পর লিপিড পরীক্ষা করতে হবে।