অ্যাজমা রোগীদের ক্ষেত্রে: এই ইনহেলেশন ক্যাপসুলটি অ্যাজমার তীব্র আক্রমণ, এক্সাসারবেশন বা অস্থিতিশীল/দ্রুত অবনতি হওয়া অবস্থায় শুরু করা উচিত নয়। এটি জরুরি উপসর্গের জন্য নয়; সেক্ষেত্রে দ্রুত কার্যকর ব্রঙ্কোডাইলেটর (যেমন সালবিউটামল) ব্যবহার করতে হবে। রোগীদের সর্বদা রিলিফ ওষুধ সাথে রাখতে হবে।
অ্যাজমা-সম্পর্কিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: চিকিৎসার সময় গুরুতর অ্যাজমা সম্পর্কিত সমস্যা বা উপসর্গের অবনতি হতে পারে। রোগীদের চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে, তবে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে না থাকলে বা খারাপ হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
প্যারাডক্সিকাল ব্রঙ্কোস্পাজম: অন্যান্য ইনহেলেশনের মতোই ব্যবহারের পর হঠাৎ শ্বাসকষ্ট বা শোঁ শোঁ শব্দ বেড়ে যেতে পারে। এ অবস্থায় দ্রুত কার্যকর ব্রঙ্কোডাইলেটর ব্যবহার করতে হবে। ওষুধ বন্ধ করে রোগীর মূল্যায়ন করে বিকল্প চিকিৎসা নিতে হবে। বিটা-২ অ্যাগোনিস্টের সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যেমন কাঁপুনি, বুক ধড়ফড় ও মাথাব্যথা সাধারণত হালকা ও অস্থায়ী।
COPD রোগীদের ক্ষেত্রে: COPD রোগীদের মধ্যে নিউমোনিয়া হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে। নিউমোনিয়া ও COPD এক্সাসারবেশনের লক্ষণ প্রায় একই হওয়ায় সতর্ক পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
কর্টিকোস্টেরয়েড: এই ওষুধে ফ্লুটিকাসোন প্রোপিওনেট রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদী বা উচ্চ মাত্রায় ব্যবহারে সিস্টেমিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যেমন কুশিং সিনড্রোম, অ্যাড্রিনাল সাপ্রেশন, শিশুদের বৃদ্ধি কমে যাওয়া, হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়া, ছানি, গ্লুকোমা এবং বিরল ক্ষেত্রে আচরণগত পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। তাই নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও সর্বনিম্ন কার্যকর ডোজ ব্যবহার জরুরি।