মহিলাদের জন্য: মাসিক চক্রের ২য় থেকে ৫ম দিনের মধ্যে (যদি রক্তপাত থাকে) অথবা সাম্প্রতিক জরায়ুর রক্তপাত না থাকলে যেকোনো দিন থেকে ৫ দিন প্রতিদিন ৫০ মি.গ্রা.। কিছু ক্ষেত্রে (যেমন PCOS রোগীদের মধ্যে) কম ডোজ বা কম সময়ের প্রয়োজন হতে পারে। যদি ডিম্বস্ফোটন না হয়, তবে ডোজ বাড়িয়ে ৭৫–১০০ মি.গ্রা. প্রতিদিন ৫ দিন দেওয়া হয় (পরবর্তী কোর্স সাধারণত আগের কোর্সের ৩০ দিন পর শুরু হয়)। সাধারণত ৩টি কোর্সে মূল্যায়ন করা হয়। যদি ডিম্বস্ফোটন না হয়, তবে পুনরায় রোগ নির্ণয় করতে হবে। ডিম্বস্ফোটন হলেও গর্ভধারণ না হলে এই চক্র ৩–৪ বার পুনরাবৃত্তি করা যায়। প্রায় ৬টি চক্রের পরও গর্ভধারণ না হলে ক্লোমিফেন থেরাপি চালিয়ে যাওয়া উচিত নয়।
পুরুষদের জন্য: প্রতিদিন ২৫ মি.গ্রা. সর্বোচ্চ ৯০ দিন পর্যন্ত। প্রতি ২৫ দিন পর ৫ দিনের বিরতি নেওয়া উচিত।
হেমোডায়ালাইসিস রোগী: হেমোডায়ালাইসিসে ওষুধের অর্ধায়ু ২৫–৩০% কমে যায়। নিয়মিত ডায়ালাইসিসের আগে ২৫০ মি.গ্রা.–১ গ্রাম লোডিং ডোজ দেওয়া হয়।
বয়স্ক: প্রাপ্তবয়স্কদের মতো একই ডোজ।
সর্বোচ্চ কার্যকারিতার সময়: সাধারণত চিকিৎসার শেষ দিনের ৪–১০ দিনের মধ্যে (গড়ে ৭ দিন) ডিম্বস্ফোটন ঘটে। রোগী ও চক্র অনুযায়ী সময় ভিন্ন হতে পারে। বিরল ক্ষেত্রে ১৪ দিন পরেও হতে পারে।