Loading...

পেথিডিন হাইড্রোক্লোরাইড

Generic Medicine
নির্দেশনা

পেথিডিন স্বল্পমেয়াদি (২৪–৩৬ ঘণ্টা) মাঝারি থেকে তীব্র ব্যথা উপশমে ব্যবহৃত হয়। এটি ইন্ট্রামাসকুলার, সাবকিউটেনিয়াস, ধীরে শিরায় ইনজেকশন, ইনফিউশন অথবা পেশেন্ট কন্ট্রোলড অ্যানালজেসিয়া (PCA) এর মাধ্যমে দেওয়া যায়।

এছাড়া এটি অ্যানেস্থেশিয়ার সহায়ক হিসেবে এবং প্রসবকালীন ব্যথা উপশমে ব্যবহৃত হয়। শিরায় দেওয়ার সময় এবং দেওয়ার পরপরই অক্সিজেন, শ্বাসপ্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা এবং ওপিওয়েড প্রতিষেধক প্রস্তুত রাখতে হবে।

ফার্মাকোলজি

পেথিডিন একটি ফেনাইলপাইপেরিডিন গ্রুপের ওপিওয়েড ব্যথানাশক, যা প্রধানত মিউ-ওপিওয়েড রিসেপ্টরের উপর কাজ করে। এটি শরীরের স্বাভাবিক ওপিওয়েডের মতো কাজ করে কেন্দ্রীয় ও পেরিফেরাল স্নায়ুতন্ত্রে রিসেপ্টর সক্রিয় করে। এটি নিউরোট্রান্সমিটার নিঃসরণ কমায় এবং স্পাইনাল কর্ডের পোস্টসিনাপটিক নিউরনের কার্যকলাপ হ্রাস করে, ফলে ব্যথার সিগন্যাল মস্তিষ্কে পৌঁছাতে বাধা দেয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য মাত্রা:

ব্যথা উপশম (Analgesia):

  • ডোজ ব্যথার তীব্রতা, রোগীর প্রতিক্রিয়া এবং রোগীর প্রোফাইল (বয়স, ওজন, লিঙ্গ, পূর্বে narcotics ব্যবহারের ইতিহাস) অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে।
  • ২৫–১০০ মিগ্রা IM (অগ্রাধিকারযোগ্য) বা SC প্রতি ৩–৪ ঘণ্টা।
  • ২৫–৫০ মিগ্রা ধীরে IV প্রতি ৩–৪ ঘণ্টা।
  • সাধারণ IV ডোজ ২০০ মিগ্রা/দিন। IV ইনজেকশন ধীরে দিতে হবে এবং dilute করে দেওয়া উত্তম।
  • ধারাবাহিক IV ইনফিউশনের আগে যথাযথ analgesia নিশ্চিত করতে হবে। প্রাথমিক ইনফিউশন হার ০.৩ মিগ্রা/কেজি/ঘণ্টা।
  • ২৪ ঘণ্টায় ১০০০ মিগ্রার বেশি দিলে neurotoxicity ঝুঁকি থাকে। ৮০০ মিগ্রার বেশি হলে পর্যবেক্ষণ জরুরি।

প্রসবকালীন ব্যথা উপশম:

৫০–১০০ মিগ্রা IM বা SC। প্রয়োজনে ১–৩ ঘণ্টা অন্তর ৩–৪ বার দেওয়া যায়। ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪ ডোজ।

অ্যানেস্থেশিয়ার সহায়ক:

প্রিমেডিকেশন হিসেবে ৫০–১০০ মিগ্রা IM/SC (৩০–৯০ মিনিট আগে)। অ্যানেস্থেশিয়ার সময় IV ধীরে fractionated dose (১০ মিগ্রা/মি.লি.) ব্যবহার করা হয়। সর্বোচ্চ ২৫–৫০ মিগ্রা।

Patient-Controlled Analgesia (PCA):

  • রোগী নিজেই ডোজ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
  • ৫–২০ মিগ্রা ডোজ, lockout interval ৬–২০ মিনিট।
  • অতিরিক্ত ইনফিউশন থাকতে পারে (basal rate)।
  • ২৪ ঘণ্টায় ১০০০ মিগ্রার বেশি হলে neurotoxicity ঝুঁকি।
  • ২৪–৩৬ ঘণ্টার বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়।

শিশুদের ডোজ:

  • Analgesia: ০.৫–২ মিগ্রা/কেজি IM/SC, সর্বোচ্চ ১০০ মিগ্রা, প্রতি ৩–৪ ঘণ্টা।
  • Preoperative: ১–২ মিগ্রা/কেজি IM/SC, সর্বোচ্চ ১০০ মিগ্রা, ৩০–৯০ মিনিট আগে।
  • Neonates: নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত নয়, তাই ডোজ নির্ধারণ করা যায় না।
ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

অ্যাসাইক্লোভির, সিমেটিডিন ও রিটোনাভিরের সাথে ব্যবহার করলে পেথিডিনের মেটাবোলাইটের মাত্রা বাড়তে পারে। ফেনিটয়েন বা বারবিচুরেটের সাথে ব্যবহার করলে এর ব্যথানাশক প্রভাব কমে যেতে পারে। অ্যালকোহল, বারবিচুরেট, বেঞ্জোডায়াজেপিন, ফেনোথিয়াজিন, ট্রাইসাইক্লিক অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট এবং অন্যান্য CNS ডিপ্রেসেন্টের সাথে ব্যবহার করলে অতিরিক্ত তন্দ্রা ও শ্বাসপ্রশ্বাস কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

প্রতিনির্দেশনা

পেথিডিনের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা।

শ্বাসপ্রশ্বাসের দমন, অথবা যেখানে শ্বাসপ্রশ্বাসের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে, যেমন তীব্র ব্রংকিয়াল অ্যাজমা, দীর্ঘমেয়াদি এয়ারওয়ে রোগ, তীব্র এমফাইসেমা, তীব্র ক্রনিক ব্রংকাইটিস বা কাইফোস্কোলিওসিস।

মাথায় আঘাত, ইন্ট্রাক্রানিয়াল চাপ বৃদ্ধি (পর্যবেক্ষণ ও নির্ণয়ের জটিলতার পাশাপাশি শ্বাসপ্রশ্বাসের দমনের কারণে হাইপারক্যাপনিয়া ইন্ট্রাক্রানিয়াল চাপ আরও বাড়াতে পারে), এবং মস্তিষ্কের টিউমার।

হৃদযন্ত্রের অনিয়মিত স্পন্দন, বিশেষ করে সুপ্রাভেন্ট্রিকুলার ট্যাকিকার্ডিয়া এবং কর পালমোনালে। পেথিডিনের ভ্যাগোলাইটিক প্রভাব রয়েছে, যা ভেন্ট্রিকুলার রেসপন্স রেট বাড়াতে পারে।

মনোঅ্যামিন অক্সিডেজ ইনহিবিটর (MAOI), যেমন সেলেজিলিন, একসাথে ব্যবহার বা গত দুই সপ্তাহের মধ্যে ব্যবহার। MAOI এবং পেথিডিন একসাথে ব্যবহার করলে নিম্ন বা উচ্চ রক্তচাপ, উত্তেজনা, পেশীর শক্তভাব, উচ্চ জ্বর, খিঁচুনি এবং কিছু ক্ষেত্রে মৃত্যুও ঘটতে পারে। এই সংমিশ্রণ এড়ানো উচিত।

প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়া এবং এক্ল্যাম্পসিয়া।

খিঁচুনিজনিত অবস্থা যেমন স্ট্যাটাস এপিলেপটিকাস, টিটেনাস এবং স্ট্রিকনাইন বিষক্রিয়া, কারণ পেথিডিন স্পাইনাল কর্ডকে উত্তেজিত করতে পারে।

ডায়াবেটিক অ্যাসিডোসিস যেখানে কোমার ঝুঁকি রয়েছে।

তীব্র অ্যালকোহলিজম বা ডিলিরিয়াম ট্রেমেন্স।

তীব্র লিভারের রোগ এবং প্রাথমিক হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি।

যেসব রোগীর প্লাটিলেট কম, রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা রয়েছে বা যারা অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট থেরাপি নিচ্ছেন।

কন্টিনিউয়াস ইন্ট্রাভেনাস ইনফিউশন: কিডনির সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে ধারাবাহিক শিরায় ইনফিউশনের মাধ্যমে পেথিডিন ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

পেশেন্ট-কন্ট্রোলড অ্যানালজেসিয়া (PCA): ছোট শিশু এবং যেসব প্রাপ্তবয়স্কের জ্ঞানীয় ক্ষমতা কম, তাদের ক্ষেত্রে PCA পদ্ধতিতে পেথিডিন ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। কিডনির সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহার করা যাবে না।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

স্নায়ুতন্ত্র: মাথা হালকা লাগা, মাথা ঘোরা, তন্দ্রা, ঘাম, অস্বাভাবিক অনুভূতি, বিভ্রান্তি, হ্যালুসিনেশন, মানসিক সমস্যা।

পরিপাকতন্ত্র: বমি বমি ভাব, বমি ও কোষ্ঠকাঠিন্য।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: পেথিডিন হাইড্রোক্লোরাইড Pregnancy Category C-এর অন্তর্ভুক্ত। পেথিডিনসহ ওপিওইড জাতীয় ব্যথানাশক ওষুধ প্রসবের সময় ব্যবহার করলে নবজাতকের শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা (respiratory depression) সৃষ্টি করতে পারে। তাই প্রসবকালীন সময়ে এই ওষুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে মায়ের প্রয়োজন এবং ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। পেথিডিনের ক্ষেত্রে প্রাণীর উপর প্রজনন সংক্রান্ত গবেষণা করা হয়নি এবং প্রসবের আগের সময়ে এর নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বিশেষ করে ভ্রূণের বিকাশের উপর সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাবের বিষয়ে।

স্তন্যদান: পেথিডিন স্তন্যদুগ্ধে নিঃসৃত হয়, তবে দুধে এর পরিমাণ বা নির্গমনের হার সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য নেই। এটি শিশুর উপর কী ধরনের প্রভাব ফেলে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাই সাধারণত স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে পেথিডিন ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয় না।

সতর্কতা

 

পেথিডিন ব্যবহারের ফলে শ্বাসপ্রশ্বাস কমে যাওয়া, কোমা, খিঁচুনি, রক্তচাপ কমে যাওয়া এবং এর বিপাকজাত পদার্থ নরপেথিডিনের মাত্রা বৃদ্ধি সহ গুরুতর বা প্রাণঘাতী প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। তাই সব সতর্কতা ও নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করা উচিত।

যেসব রোগী সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম ডিপ্রেসেন্ট যেমন সেডেটিভ, হিপনোটিক, বারবিচুরেট, বেঞ্জোডায়াজেপিন, ফেনোথিয়াজিন, ট্রাঙ্কুইলাইজার, অ্যানেস্থেটিক, অ্যালকোহল বা অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট গ্রহণ করেন, তাদের ক্ষেত্রে পেথিডিন সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত, কারণ এতে অতিরিক্ত ঘুমভাব ও শ্বাসপ্রশ্বাস কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

তীব্র ব্যথায় আক্রান্ত রোগীরা পেথিডিনের উচ্চ মাত্রা সহ্য করতে পারেন, তবে ব্যথা হঠাৎ কমে গেলে শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

বয়স্ক রোগীরা সাধারণত ওপিওইডের প্রতি বেশি সংবেদনশীল। লিভার ও কিডনির কার্যকারিতা কমে যাওয়া এবং প্রোটিন বাইন্ডিং পরিবর্তনের কারণে তাদের শরীরে ওষুধের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।

পেথিডিন লিভারে বিপাকিত হয় এবং কিডনির মাধ্যমে বের হয়ে যায়, তাই লিভার বা কিডনির সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে বিষাক্ত নরপেথিডিন জমা হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

হৃদযন্ত্রের আউটপুট কমে গেলে লিভারে রক্তপ্রবাহ কমে যায়, ফলে পেথিডিনের বিপাক কমে এবং শরীরে জমে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

পেথিডিন সাময়িকভাবে রক্তচাপ, রক্তনালীর প্রতিরোধ এবং হৃদস্পন্দন বাড়াতে পারে, তাই হার্ট অ্যাটাকের রোগীদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা উচিত নয়।

ফিওক্রোমোসাইটোমা রোগীদের ক্ষেত্রে পেথিডিন উচ্চ রক্তচাপজনিত সংকট সৃষ্টি করতে পারে।

যেসব ব্যক্তি ওপিওইডের উপর নির্ভরশীল, তাদের ক্ষেত্রে ওপিওইড প্রতিরোধক ব্যবহার করলে তীব্র প্রত্যাহার উপসর্গ দেখা দিতে পারে। প্রয়োজনে খুব সতর্কতার সাথে এবং কম মাত্রায় ব্যবহার করতে হবে।

খিঁচুনি রোগীদের ক্ষেত্রে পেথিডিন খিঁচুনি বাড়াতে পারে। উচ্চ মাত্রায় ব্যবহার করলে এমনকি পূর্বে খিঁচুনির ইতিহাস না থাকলেও খিঁচুনি হতে পারে।

এক্ল্যাম্পসিয়ার ক্ষেত্রে পেথিডিন ও ফেনোথিয়াজিন একসাথে ব্যবহার করলে খিঁচুনি বাড়তে পারে, তাই এক্ল্যাম্পসিয়া ও প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়ায় এটি ব্যবহার না করাই উত্তম।

পেথিডিন প্লাসেন্টা অতিক্রম করে এবং প্রসবের সময় ব্যবহারে নবজাতকের শ্বাসপ্রশ্বাস কমে যেতে পারে। নবজাতকের ক্ষেত্রে এই ওষুধ ধীরে বিপাকিত হয়, তাই প্রয়োজনে নালোক্সোন ব্যবহার করতে হতে পারে।

পেথিডিন ব্যবহারে দাঁড়ালে রক্তচাপ কমে যাওয়ার (অর্থোস্ট্যাটিক হাইপোটেনশন) সমস্যা দেখা যেতে পারে।

হাইপোথাইরয়েডিজম বা অ্যাডিসন রোগে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে পেথিডিন সতর্কতার সাথে এবং কম মাত্রায় ব্যবহার করা উচিত।

প্রোস্টেট বড় হওয়া বা মূত্রনালী সংকীর্ণতার ক্ষেত্রে পেথিডিন সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।

ওপিওইড রক্তে শর্করা বাড়াতে পারে, তাই ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এটি বিবেচনা করা উচিত।

চোখের উপর পেথিডিনের প্রভাব সম্পর্কে ভিন্নমত রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে চোখের মণি ছোট হয়, আবার কিছু ক্ষেত্রে বড় হয় বা পরিবর্তন হয় না। তাই গ্লুকোমা রোগীদের ক্ষেত্রে চোখের চাপ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

 

স্পেশিয়াল পপুলেশন

বয়স্ক: স্বাভাবিক ডোজের অর্ধেক দিয়ে শুরু করতে হবে।
লিভার সমস্যা: ডোজ কমাতে হবে বা ব্যবহারের ব্যবধান বাড়াতে হবে।
কিডনি সমস্যা: সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে এবং ডোজ সমন্বয় প্রয়োজন।

মাত্রাধিকত্যা

লক্ষণ: শ্বাসপ্রশ্বাস কমে যাওয়া, স্নায়ুতন্ত্রের অবসাদ, চোখের মণি বড় হওয়া, ধীর হৃদস্পন্দন, ফুসফুসে পানি জমা, খিঁচুনি।
চিকিৎসা: উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে হবে। নালোক্সোন ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে খিঁচুনির ক্ষেত্রে নয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

ওপিওয়েড ব্যথানাশক

সংরক্ষণ

রুম টেম্পারেচারে সংরক্ষণ করতে হবে, আলো থেকে দূরে রাখতে হবে এবং ফ্রিজে জমিয়ে রাখা যাবে না।

সাধারণ প্রশ্ন

পেথিডিন হাইড্রোক্লোরাইড কিসের ওষুধ?

পেথিডিন হাইড্রোক্লোরাইড এর কাজ কি?

পেথিডিন হাইড্রোক্লোরাইড এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলো কি কি?

পেথিডিন হাইড্রোক্লোরাইড বেশি খেলে কি হয়?

গর্ভাবস্থায় পেথিডিন হাইড্রোক্লোরাইড খাওয়া যাবে কি?

No available drugs found

  View in English