ভিটামিন A মানবদেহের জন্য অত্যাবশ্যক এবং দৃষ্টিশক্তি, কোষের বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি ইমিউন সিস্টেমে প্রভাবের মাধ্যমে ক্যান্সার প্রতিরোধী কার্যকারিতাতেও ভূমিকা রাখতে পারে।
ভিটামিন C একটি বহুল ব্যবহৃত সাপ্লিমেন্ট, যা কোলাজেন তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি টিস্যু, মাড়ি, রক্তনালী, হাড় ও দাঁতের বৃদ্ধি ও মেরামতে সহায়তা করে। সার্জারি বা আঘাতের পর দ্রুত সেরে উঠতে সাহায্য করে। এটি ফ্রি র্যাডিকেল নিস্ক্রিয় করে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।
ভিটামিন E একটি ফ্যাট-সলিউবল ভিটামিন, যা যকৃত, চর্বি টিস্যু, হৃদপিণ্ড ও পেশিতে সঞ্চিত থাকে। এটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং ফ্যাটের অক্সিডেশন প্রতিরোধ করে। এটি সেলেনিয়ামের সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করে।
ভিটামিন K একটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি-এজিং ভিটামিন, যা হৃদরোগ ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সহায়তা করে।
জিঙ্ক ইমিউন সিস্টেমের কার্যকারিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং থাইমাস গ্রন্থির কার্যক্রম পুনরুদ্ধারে সহায়তা করতে পারে। এটি শরীরের ১০০টিরও বেশি এনজাইমের কো-ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে।
সেলেনিয়াম অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এনজাইমের কো-ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি নিজেও শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এটি অক্সিডেশনজনিত বার্ধক্য ও টিস্যু ক্ষয় প্রতিরোধে সহায়তা করে এবং ভিটামিন E-এর সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করে।
কপার শরীরের বিভিন্ন এনজাইমের গুরুত্বপূর্ণ কো-ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে, যা অভ্যন্তরীণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সিস্টেমে ভূমিকা রাখে।
ম্যাঙ্গানিজ একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মিনারেল, যা সুপার অক্সাইড ডিসমিউটেজ (SOD) এনজাইম তৈরিতে প্রয়োজনীয়। এই এনজাইম কোষকে ক্ষতিকর ফ্রি র্যাডিকেল থেকে সুরক্ষা দেয়।