Loading...

ডেসোনাইড

Generic Medicine
নির্দেশনা

ডেসোনাইড জেল ৩ মাস বা তার বেশি বয়সী রোগীদের মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার এটপিক ডার্মাটাইটিস (ত্বকের প্রদাহজনিত রোগ) এর চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

ফার্মাকোলজি

ডেসোনাইড জেলে ডেসোনাইড থাকে, যা একটি সিন্থেটিক নন-ফ্লুরিনেটেড কর্টিকোস্টেরয়েড এবং ত্বকে ব্যবহারের জন্য প্রণীত। টপিকাল কর্টিকোস্টেরয়েডে প্রদাহবিরোধী, চুলকানি নিরোধক এবং রক্তনালী সংকোচনকারী বৈশিষ্ট্য থাকে। এর প্রদাহবিরোধী কার্যপ্রণালী সম্পূর্ণভাবে স্পষ্ট নয়। ধারণা করা হয়, কর্টিকোস্টেরয়েড ফসফোলিপেজ A2 ইনহিবিটরি প্রোটিন (লিপোকর্টিন) উৎপাদন বাড়ায়। এই প্রোটিনগুলো অ্যারাকিডোনিক অ্যাসিড মুক্তি রোধ করে প্রদাহ সৃষ্টিকারী উপাদান যেমন প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন ও লিউকোট্রিয়েনের উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে। অ্যারাকিডোনিক অ্যাসিড ফসফোলিপেজ A2 এর মাধ্যমে কোষঝিল্লির ফসফোলিপিড থেকে মুক্ত হয়। ত্বকের মাধ্যমে শোষিত হওয়ার পর টপিকাল কর্টিকোস্টেরয়েড শরীরে ব্যবহৃত স্টেরয়েডের মতোই ফার্মাকোকিনেটিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

ডেসোনাইড জেল (Desonide gel) শুধুমাত্র বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য: ডেসোনাইড জেল আক্রান্ত স্থানে পাতলা স্তরে দিনে ২ বার লাগাতে হবে এবং ধীরে ধীরে ঘষে শোষিত করতে হবে। রোগ নিয়ন্ত্রণে এলে চিকিৎসা বন্ধ করতে হবে। যদি ৪ সপ্তাহের মধ্যে কোনো উন্নতি না দেখা যায়, তবে চিকিৎসা বন্ধ করতে হবে এবং অক্লুসিভ ড্রেসিং (occlusive dressing) এর সাথে ডেসোনাইড জেল ব্যবহার করা যাবে না।

শিশুদের ব্যবহার (Pediatric use) :৩ মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ডেসোনাইড জেলের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা হয়নি, তাই এই বয়সের শিশুদের ক্ষেত্রে এর ব্যবহার সুপারিশ করা হয় না।

প্রতিনির্দেশনা

ডেসোনাইড জেল এর যেকোনো উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতার ইতিহাস থাকলে এই ওষুধ ব্যবহার করা যাবে না।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলো প্রয়োগস্থলে জ্বালাপোড়া, র‍্যাশ এবং চুলকানি। টপিকাল কর্টিকোস্টেরয়েড ব্যবহারে মাঝে মাঝে আরও কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে যেমন ফলিকুলাইটিস, ব্রণের মতো ফুসকুড়ি, ত্বকের রঙ হালকা হয়ে যাওয়া, মুখের চারপাশে ডার্মাটাইটিস, সেকেন্ডারি ইনফেকশন, ত্বক পাতলা হয়ে যাওয়া, স্ট্রাই (স্ট্রেচ মার্ক), এবং ঘামাচি। অক্লুসিভ ড্রেসিং ও উচ্চ ক্ষমতার স্টেরয়েডে এসব ঝুঁকি বেশি থাকে।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা ক্যাটাগরি C। গর্ভবতী নারীদের উপর পর্যাপ্ত ও নিয়ন্ত্রিত গবেষণা নেই। তাই গর্ভাবস্থায় এটি শুধুমাত্র তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন উপকারিতা সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হয়। শরীরে শোষিত কর্টিকোস্টেরয়েড মাতৃদুগ্ধে যেতে পারে এবং শিশুর বৃদ্ধি বা স্বাভাবিক হরমোন উৎপাদনে প্রভাব ফেলতে পারে। টপিকাল ব্যবহারে দুধে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে যায় কিনা তা জানা নেই, তাই স্তন্যদানকালে সতর্কতা প্রয়োজন।

সতর্কতা

ডেসোনাইড জেল চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবহার করতে হবে এবং এটি শুধুমাত্র বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য। চোখের সংস্পর্শ এড়াতে হবে। শিশুদের ক্ষেত্রে বগল ও কুঁচকির অংশে ব্যবহার করা যাবে না। জ্বালা বা অস্বস্তি দেখা দিলে ওষুধ বন্ধ করে উপযুক্ত চিকিৎসা নিতে হবে। টপিকাল কর্টিকোস্টেরয়েড শরীরে শোষিত হলে হাইপোথ্যালামাস-পিটুইটারি-অ্যাড্রিনাল (HPA) অ্যাক্সিস দমিয়ে দিতে পারে, যা ওষুধ বন্ধ করার পর হরমোন ঘাটতির কারণ হতে পারে। দ্রুত উন্নতি না হলে ওষুধ বন্ধ করে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।

মাত্রাধিকত্যা

ডেসোনাইড জেল অতিরিক্ত ব্যবহার করলে শরীরে শোষিত হয়ে সিস্টেমিক কর্টিকোস্টেরয়েডের মতো প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে।

থেরাপিউটিক ক্লাস

অন্যান্য টপিকাল কর্টিকোস্টেরয়েড

সংরক্ষণ

৩০°সে. এর নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করতে হবে। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখতে হবে।

সাধারণ প্রশ্ন

Desonide (ডেসোনাইড) কিসের ওষুধ ?

Desonide এর কাজ কি?

Desonide এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলো কি কি?

Desonide বেশি ব্যবহার করলে কি হয় ?

গর্ভাবস্থায় Desonide ব্যবহার করা যাবে কি?

No available drugs found

  View in English