ভ্যাসোপ্রেসিন ইনজেকশন ব্যবহৃত হয়:
- ভ্যাসোডাইলেটরি শকে আক্রান্ত প্রাপ্তবয়স্কদের রক্তচাপ বৃদ্ধি করতে
- সেপটিক শকে নরএপিনেফ্রিনের সাথে প্রাথমিক সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে, যা রোগীর ফলাফল উন্নত করতে সহায়ক হতে পারে
- পোস্ট-কার্ডিওটমি শক
- সেপটিক শক
ভ্যাসোপ্রেসিন ইনজেকশন ব্যবহৃত হয়:
কিডনিতে ভ্যাসোপ্রেসিন সংগ্রাহক নালীর (collecting duct) কোষে অবস্থিত V2 রিসেপ্টরের উপর কাজ করে। এর ফলে কোষের মেমব্রেনে অ্যাকোয়াপোরিন ওয়াটার চ্যানেল যুক্ত হয়, যা রক্তে পানির পুনঃশোষণ বৃদ্ধি করে। এতে প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায় এবং শরীরের পানির ভারসাম্য বজায় থাকে। এই প্রক্রিয়া ডায়াবেটিস ইনসিপিডাসের মতো অবস্থায় উপকারী, যেখানে পানি ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যায়।
ফার্মাকোকিনেটিকস (Pharmacokinetics)
ভ্যাসোপ্রেসিন ইনজেকশন হলো প্রাকৃতিক অ্যান্টিডাইইউরেটিক হরমোন ভ্যাসোপ্রেসিনের একটি সিন্থেটিক রূপ। এটি শরীরের পানির ভারসাম্য বজায় রাখা, কিডনিতে পানির পুনঃশোষণ নিয়ন্ত্রণ এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভ্যাসোকনস্ট্রিক্টর হিসেবে কাজ করে।
এই ওষুধ ডায়াবেটিস ইনসিপিডাস, বিভিন্ন ধরনের শক এবং কিছু রক্তক্ষরণজনিত রোগে ব্যবহৃত হয়। Vasopressin Injection USP সাধারণত স্বচ্ছ ও বর্ণহীন সলিউশন হিসেবে পাওয়া যায়, যা ইন্ট্রাভেনাস (IV), ইন্ট্রামাসকুলার (IM) অথবা সাবকিউটেনিয়াস (SC) উপায়ে প্রয়োগ করা হয়।
0.01 - 0.03 Units/Min.
২০ units/mL single-dose vial এর উপাদানকে normal saline (0.9% sodium chloride) অথবা 5% dextrose in water (D5W) এর সাথে মিশিয়ে intravenous প্রয়োগের জন্য 0.1 units/mL অথবা 1 unit/mL ঘনত্বে dilute করতে হবে। রুম টেম্পারেচারে ১৮ ঘণ্টা অথবা রেফ্রিজারেশনে ২৪ ঘণ্টা পর অব্যবহৃত dilute solution ফেলে দিতে হবে।
Post-cardiotomy shock: 0.03 to 0.1 units/minute. (প্রস্তাবিত প্রাথমিক ডোজ)
Septic shock: 0.01 to 0.07 units/minute. (প্রস্তাবিত প্রাথমিক ডোজ)
লিথিয়াম: লিথিয়াম ভ্যাসোপ্রেসিনের অ্যান্টিডাইইউরেটিক প্রভাব কমিয়ে দিতে পারে। একসাথে ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
কর্টিকোস্টেরয়েড: কর্টিকোস্টেরয়েড ভ্যাসোপ্রেসিনের প্রভাব পরিবর্তন করতে পারে, বিশেষ করে শরীরের তরল ও ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্যের ক্ষেত্রে।
অন্যান্য ভ্যাসোপ্রেসর: অন্যান্য ভ্যাসোপ্রেসরের সাথে একসাথে ব্যবহার করলে রক্তচাপ অতিরিক্ত বৃদ্ধি পেতে পারে, তাই সতর্ক পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
অ্যালকোহল: অ্যালকোহল ভ্যাসোপ্রেসিনের অ্যান্টিডাইইউরেটিক প্রভাব কমিয়ে প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারে।
অতিসংবেদনশীলতা: ভ্যাসোপ্রেসিন বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা থাকলে এটি ব্যবহার নিষিদ্ধ।
দীর্ঘস্থায়ী কিডনি বিকলতা: গুরুতর কিডনি রোগ বা যেখানে তরল জমা হওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত, সেখানে এটি ব্যবহার করা উচিত নয়।
গুরুতর উচ্চ রক্তচাপ: জরুরি প্রয়োজন না হলে গুরুতর উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার এড়ানো উচিত।
করোনারি আর্টারি ডিজিজ: ভ্যাসোকনস্ট্রিকশন ইস্কেমিয়া বাড়িয়ে দিতে পারে, তাই সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।
সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:
গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:
গর্ভাবস্থা ক্যাটাগরি C: ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির তুলনায় উপকার বেশি হলে তবেই ব্যবহার করা উচিত। গর্ভবতী নারীদের উপর পর্যাপ্ত গবেষণা নেই। গর্ভাবস্থায় ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন।
ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা: বিশেষ করে সোডিয়ামের মাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা উচিত। অতিরিক্ত পানি জমে গেলে হাইপোনাট্রেমিয়া, খিঁচুনি, কোমা বা মৃত্যু হতে পারে।
ভ্যাসোপ্রেসিন-জনিত ইস্কেমিয়া: করোনারি আর্টারি ডিজিজ বা পেরিফেরাল ভাসকুলার ডিজিজের রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।
এক্সট্রাভাসেশন ঝুঁকি: শিরায় প্রয়োগের সময় ওষুধ আশেপাশের টিস্যুতে লিক হওয়া এড়াতে হবে, কারণ এতে টিস্যু নষ্ট হতে পারে।
অ্যান্টিডাইইউরেটিক হরমোন অ্যানালগ
২°C থেকে ৮°C তাপমাত্রায় রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষণ করুন। আলো থেকে সুরক্ষার জন্য ভায়ালটি বাইরের কার্টনের মধ্যে রাখুন।
ভ্যাসোপ্রেসিন কিসের ওষুধ?
ভ্যাসোপ্রেসিন এর কাজ কি?
ভ্যাসোপ্রেসিন এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলো কি কি?
ভ্যাসোপ্রেসিন বেশি খেলে কি হয়?
গর্ভাবস্থায় ভ্যাসোপ্রেসিন খাওয়া যাবে কি?