ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস (পালমোনারি এম্বোলিজমসহ বা ছাড়া) এর চিকিৎসা: সাবকিউটেনিয়াসভাবে ১০০ অ্যান্টি-Xa IU/কেজি দিনে দুইবার ১০ দিন অথবা ১৫০ অ্যান্টি-Xa IU/কেজি দিনে একবার ১০ দিন। প্রয়োজন অনুযায়ী ওরাল অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট শুরু করতে হবে এবং থেরাপিউটিক প্রভাব না আসা পর্যন্ত এনক্সাপারিন চালিয়ে যেতে হবে।
অস্থির এনজাইনা ও নন–Q-ওয়েভ মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন (অ্যাসপিরিনের সাথে): সাবকিউটেনিয়াসভাবে ১০০ অ্যান্টি-Xa IU/কেজি দিনে দুইবার ২–৮ দিন, সাথে প্রতিদিন ১০০–৩২৫ মিগ্রা অ্যাসপিরিন। অন্তত ২ দিন এবং রোগ স্থিতিশীল হওয়া পর্যন্ত চালিয়ে যেতে হবে।
হেমোডায়ালাইসিসে এক্সট্রাকর্পোরিয়াল সার্কুলেশনে থ্রম্বাস প্রতিরোধ: প্রস্তাবিত ডোজ ১০০ অ্যান্টি-Xa IU/কেজি। রক্তক্ষরণের উচ্চ ঝুঁকিতে ডোজ কমিয়ে ৫০ IU/কেজি (ডাবল অ্যাক্সেস) বা ৭৫ IU/কেজি (সিঙ্গেল অ্যাক্সেস) করতে হবে। ডায়ালাইসিসের শুরুতে আর্টেরিয়াল লাইনে প্রদান করতে হবে।
মেডিকেল রোগীদের ভেনাস থ্রম্বোএম্বোলিজম প্রতিরোধ: সাবকিউটেনিয়াসভাবে ৪০০০ IU (০.৪ মি.লি.) দিনে একবার ৬–১৪ দিন।
এনক্সাপারিন সোডিয়াম সিরিঞ্জ নিজে প্রয়োগের নির্দেশনা: ইনজেকশনের স্থান প্রস্তুতি
- পেটের ডান বা বাম পাশে, নাভি থেকে কমপক্ষে ৫ সেমি দূরে স্থান নির্বাচন করুন
- নাভির ৫ সেমির মধ্যে বা দাগ/ক্ষতস্থানে ইনজেকশন দেবেন না
- প্রতিবার ডান ও বাম পাশে স্থান পরিবর্তন করুন
- হাত ধুয়ে ইনজেকশন স্থানে অ্যালকোহল বা সাবান পানি দিয়ে পরিষ্কার করুন (ঘষবেন না)
- আরামদায়কভাবে বসুন বা শুয়ে থাকুন এবং ইনজেকশনের স্থান যেন দেখা যায় তা নিশ্চিত করুন
ডোজ নির্বাচন:
- সূঁচের ক্যাপ খুলে ফেলুন এবং ফেলে দিন
- ইনজেকশনের আগে প্লাঞ্জার চাপবেন না, এতে ওষুধ নষ্ট হতে পারে
- ক্যাপ খোলার পর সূঁচ যেন কোনো কিছুর সাথে স্পর্শ না করে তা নিশ্চিত করুন
- সিরিঞ্জে নির্ধারিত ডোজ থাকলে পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই
- ডোজ সমন্বয় প্রয়োজন হলে সিরিঞ্জ নিচের দিকে ধরে অতিরিক্ত ওষুধ বের করে ফেলুন
- সূঁচের মাথায় ফোঁটা থাকলে হালকা টোকা দিয়ে তা সরিয়ে নিন
ইনজেকশন প্রয়োগ:
- কলমের মতো সিরিঞ্জ ধরুন
- অন্য হাতে ত্বক চেপে ভাঁজ তৈরি করুন
- ইনজেকশনের সময় ভাঁজ ধরে রাখুন
- ৯০° কোণে সূঁচ সম্পূর্ণভাবে প্রবেশ করান
- প্লাঞ্জার সম্পূর্ণ চাপ দিয়ে ওষুধ প্রবেশ করান
ইনজেকশনের পর:
- নীলচে দাগ এড়াতে ইনজেকশন স্থানে ঘষবেন না
- ব্যবহৃত সিরিঞ্জ নিরাপদ কন্টেইনারে ফেলুন এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন
- কন্টেইনার পূর্ণ হলে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের নির্দেশ অনুযায়ী ফেলে দিন
- অব্যবহৃত ওষুধ বা বর্জ্য স্থানীয় নিয়ম অনুযায়ী নিষ্পত্তি করুন