অ্যাট্রাকিউরিয়াম এন্ডোট্র্যাকিয়াল ইনটিউবেশন, আইসিইউতে মেকানিক্যাল ভেন্টিলেশন সহায়তা এবং সাধারণ অ্যানেস্থেশিয়ার সময় মাংসপেশী শিথিলকারী হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
অ্যাট্রাকিউরিয়াম বেসিলেট
Generic Medicineফার্মাকোলজি
অ্যাট্রাকিউরিয়াম একটি নন-ডিপোলারাইজিং নিউরোমাসকুলার ব্লকার, যা মোটর এন্ড-প্লেটে অ্যাসিটাইলকোলিন রিসেপ্টরের সাথে প্রতিযোগিতামূলকভাবে যুক্ত হয়ে অ্যাসিটাইলকোলিনের কার্যকারিতা বন্ধ করে দেয়। ফলে স্নায়ু থেকে পেশীতে সংকেত পৌঁছাতে পারে না এবং পেশী শিথিল হয়। অ্যাসিটাইলকোলিনেস্টেরেজ ইনহিবিটর যেমন নিওস্টিগমিন, এড্রোফোনিয়াম এবং পাইরিডোস্টিগমিন এই ব্লককে উল্টে দিতে পারে, কারণ এগুলো অ্যাসিটাইলকোলিনের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।
মাত্রা ও সেবনবিধি
প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশু (>১ মাস): প্রাথমিকভাবে ৩০০–৬০০ মাইক্রোগ্রাম/কেজি IV বোলাস হিসেবে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে প্রতি ১৫–২৫ মিনিট অন্তর ১০০–২০০ মাইক্রোগ্রাম/কেজি IV অথবা দীর্ঘস্থায়ী প্রক্রিয়ায় ৫–১০ মাইক্রোগ্রাম/কেজি/মিনিট হারে ইনফিউশন দেওয়া যায়। ইনটেনসিভ কেয়ারে নিয়ন্ত্রিত ভেন্টিলেশন নেওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে বেশি ইনফিউশন হার ব্যবহার করা যেতে পারে।
ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া
জেনারেল অ্যানেস্থেটিক (যেমন এনফ্লুরেন, আইসোফ্লুরেন, হ্যালোথেন), কিছু অ্যান্টিবায়োটিক (যেমন অ্যামিনোগ্লাইকোসাইডস, পলিমিক্সিনস), লিথিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম সল্টস, প্রোকেইনামাইড এবং কুইনিডিনের সাথে ব্যবহার করলে নিউরোমাসকুলার ব্লকিং প্রভাব বৃদ্ধি পেতে পারে।
প্রতিনির্দেশনা
অ্যাট্রাকিউরিয়াম, সিসাট্রাকিউরিয়াম বা বেনজিনসালফোনিক অ্যাসিডের প্রতি অ্যালার্জি থাকলে এটি ব্যবহার করা যাবে না। এটি অন্যান্য নিউরোমাসকুলার ব্লকারের মতো শ্বাসপ্রশ্বাসের পেশীসহ সকল স্কেলেটাল মাংসপেশী প্যারালাইসিস করে, তবে চেতনায় কোনো প্রভাব ফেলে না।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
ত্বক লাল হওয়া, ফ্লাশিং, চুলকানি, চাকা ওঠা, শ্বাসকষ্ট, ব্রংকোস্পাজম, অতিরিক্ত শ্বাসনালী নিঃসরণ, সায়ানোসিস, অ্যাঞ্জিওএডিমা এবং হৃদস্পন্দন কমে যাওয়া (ব্র্যাডিকার্ডিয়া) হতে পারে।ইনজেকশন স্থানে ফোলা বা লালচে ভাব দেখা যেতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে অ্যানাফাইল্যাক্সিস (জীবন-ঝুঁকিপূর্ণ) হতে পারে।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
প্রেগন্যান্সি ক্যাটাগরি C। প্রাণীর উপর গবেষণায় ভ্রূণের ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা গেছে। মানুষের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত তথ্য নেই, তাই শুধুমাত্র প্রয়োজন হলে ব্যবহার করা উচিত।
সতর্কতা
হৃদরোগ, পোড়া রোগী বা অ্যাজমা রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। যেসব অবস্থায় ওষুধের প্রভাব কমতে পারে: রেসপিরেটরি অ্যালকালোসিস, হাইপারক্যালসেমিয়া, ডিমাইলিনেটিং রোগ, নার্ভ ড্যামেজ। যেসব অবস্থায় প্রভাব বাড়তে পারে: ইলেকট্রোলাইটের সমস্যা, নিউরোমাসকুলার রোগ, অ্যাসিডোসিস, মায়াস্থেনিয়া গ্রাভিস, ইটন-ল্যাম্বার্ট সিনড্রোম। গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।
মাত্রাধিকত্যা
অতিরিক্ত ডোজে হিস্টামিন রিলিজ বেড়ে যেতে পারে এবং রক্তচাপ কমে যেতে পারে।
থেরাপিউটিক ক্লাস
নন-ডিপোলারাইজিং মাসল রিল্যাক্সেন্ট
সংরক্ষণ
২–৮°C তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হবে। ফ্রিজে জমিয়ে রাখা যাবে না।
সাধারণ প্রশ্ন
অ্যাট্রাকিউরিয়াম বেসিলেট কিসের ওষুধ?
অ্যাট্রাকিউরিয়াম বেসিলেট এর কাজ কি?
অ্যাট্রাকিউরিয়াম বেসিলেট এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলো কি কি?
অ্যাট্রাকিউরিয়াম বেসিলেট বেশি খেলে কি হয়?
অ্যাট্রাকিউরিয়াম বেসিলেট কি গর্ভবতী মায়েদের জন্য নিরাপদ?