প্রাথমিক হার্পিস সিমপ্লেক্সের চিকিৎসা: সাধারণত ৫ দিনের জন্য দিনে ৫ বার ২০০ মি.গ্রা.।
ইমিউনোকম্প্রোমাইজড রোগীদের জন্য:
• প্রাপ্তবয়স্ক: ৫ দিনের জন্য দিনে ৫ বার ৪০০ মি.গ্রা. (চিকিৎসার সময় নতুন ক্ষত দেখা দিলে বা সম্পূর্ণ নিরাময় না হলে সময় বাড়ানো যেতে পারে; ইমিউনোকম্প্রোমাইজড রোগীদের জেনিটাল হার্পিসে ডোজ বাড়িয়ে দিনে ৫ বার ৮০০ মি.গ্রা. করা যেতে পারে) অথবা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
• ২ বছরের কম শিশু: প্রাপ্তবয়স্ক ডোজের অর্ধেক।
• ২ বছরের বেশি শিশু: প্রাপ্তবয়স্ক ডোজ।
হার্পিস সিমপ্লেক্স পুনরাবৃত্তি প্রতিরোধ:
• প্রাপ্তবয়স্ক: দিনে ৪ বার ২০০ মি.গ্রা. অথবা দিনে ২ বার ৪০০ মি.গ্রা., প্রয়োজনে কমিয়ে দিনে ২ বা ৩ বার ২০০ মি.গ্রা. করা যেতে পারে এবং প্রতি ৬-১২ মাস পর বিরতি দেওয়া যেতে পারে।
• ২ বছরের কম শিশু: প্রাপ্তবয়স্ক ডোজের অর্ধেক।
• ২ বছরের বেশি শিশু: প্রাপ্তবয়স্ক ডোজ।
ইমিউনোকম্প্রোমাইজড রোগীদের হার্পিস সিমপ্লেক্স প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা:
• প্রাপ্তবয়স্ক: দিনে ৪ বার ২০০ থেকে ৪০০ মি.গ্রা.।
• ২ বছরের কম শিশু: প্রাপ্তবয়স্ক ডোজের অর্ধেক।
• ২ বছরের বেশি শিশু: প্রাপ্তবয়স্ক ডোজ।
ভ্যারিসেলা (চিকেন পক্স) চিকিৎসা:
• প্রাপ্তবয়স্ক ও ৪০ কেজির বেশি ওজনের শিশু: ৫ দিনের জন্য দিনে ৪ বার ৮০০ মি.গ্রা.।
• ৪০ কেজির কম ওজনের শিশু: প্রতি ডোজ ২০ মি.গ্রা./কেজি (সর্বোচ্চ ৮০০ মি.গ্রা.) দিনে ৪ বার (মোট ৮০ মি.গ্রা./কেজি/দিন) ৫ দিনের জন্য।
• ১ মাস-২ বছর শিশু: ৫ দিনের জন্য দিনে ৪ বার ২০০ মি.গ্রা.।
• ২-৫ বছর শিশু: ৫ দিনের জন্য দিনে ৪ বার ৪০০ মি.গ্রা.।
• ৬-১২ বছর শিশু: ৫ দিনের জন্য দিনে ৪ বার ৮০০ মি.গ্রা.।
হার্পিস জোস্টার (শিংলস) চিকিৎসা: ৭ দিনের জন্য দিনে ৫ বার ৮০০ মি.গ্রা.।
প্রাথমিক রেক্টাল (প্রোকটাইটিস) হার্পিস সংক্রমণের চিকিৎসা: মুখে খাওয়ার Aciclovir ৪০০ মি.গ্রা. দিনে ৫ বার ১০ দিনের জন্য অথবা উপসর্গ সম্পূর্ণ সেরে যাওয়া পর্যন্ত দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
কিডনি সমস্যা: গুরুতর কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে ডোজ কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।