Loading...

গিলটেরিটিনিব ফুমারেট

Generic Medicine
নির্দেশনা

Gilteritinib fumarate ব্যবহৃত হয় পুনরায় ফিরে আসা বা চিকিৎসায় সাড়া না দেওয়া Acute Myeloid Leukemia (AML) আক্রান্ত প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের চিকিৎসায়, যাদের শরীরে FLT3 (FMS-like tyrosine kinase 3) জিনের মিউটেশন রয়েছে এবং যা FDA অনুমোদিত পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছে।

ফার্মাকোলজি

গিল্টেরিটিনিব একটি ছোট মলিকিউল যা একাধিক রিসেপ্টর টাইরোসিন কিনেজ, বিশেষ করে FMS-like tyrosine kinase 3 (FLT3) কে বাধা দেয়। এটি FLT3 রিসেপ্টর সিগন্যালিং ও কোষের বংশবিস্তার কমাতে সক্ষম, বিশেষ করে FLT3 মিউটেশনযুক্ত কোষে যেমন FLT3-ITD এবং টাইরোসিন কিনেজ ডোমেইন (TKD) মিউটেশন (যেমন FLT3-D835Y এবং FLT3-ITD-D835Y)। এছাড়াও, এটি FLT3-ITD প্রকাশকারী লিউকেমিক কোষে অ্যাপোপটোসিস (কোষ মৃত্যু) ঘটায়।

ফার্মাকোডাইনামিকস: রিল্যাপসড বা রিফ্র্যাক্টরি অ্যাকিউট মাইলোয়েড লিউকেমিয়া (AML) রোগীদের ক্ষেত্রে ১২০ মি.গ্রা. গিল্টেরিটিনিব ব্যবহারে FLT3 ফসফরাইলেশনের দ্রুত (প্রথম ডোজের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে) এবং স্থায়ী (>৯০%) ইনহিবিশন দেখা যায়, যা ex vivo প্লাজমা ইনহিবিটরি অ্যাক্টিভিটি (PIA) অ্যাসে দ্বারা নির্ধারিত হয়েছে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

রোগী নির্বাচন: রক্ত বা অস্থিমজ্জায় FLT3 মিউটেশনের উপস্থিতির ভিত্তিতে AML রোগীদের Gilteritinib দিয়ে চিকিৎসার জন্য নির্বাচন করতে হবে। AML-এ FLT3 মিউটেশন শনাক্ত করার জন্য FDA অনুমোদিত পরীক্ষার তথ্য উপলব্ধ রয়েছে।

প্রস্তাবিত ডোজ: Gilteritinib-এর প্রাথমিক প্রস্তাবিত ডোজ হলো ১২০ মি.গ্রা. দিনে একবার মুখে, খাবারের সাথে বা খাবার ছাড়াই। প্রতিক্রিয়া পেতে সময় লাগতে পারে। রোগের অগ্রগতি বা অসহনীয় বিষক্রিয়া না থাকলে, ক্লিনিক্যাল প্রতিক্রিয়া পাওয়ার জন্য কমপক্ষে ৬ মাস চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। Gilteritinib ট্যাবলেট ভাঙা বা চূর্ণ করা যাবে না। প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে মুখে গ্রহণ করতে হবে। কোনো ডোজ মিস হলে বা নির্ধারিত সময়ে না নেওয়া হলে, একই দিনে যত দ্রুত সম্ভব নিতে হবে এবং পরবর্তী ডোজের কমপক্ষে ১২ ঘণ্টা আগে নিতে হবে। পরের দিন স্বাভাবিক সময়সূচিতে ফিরে যেতে হবে। ১২ ঘণ্টার মধ্যে ২টি ডোজ নেওয়া যাবে না।

ডোজ পরিবর্তন: Gilteritinib শুরু করার আগে রক্তের কোষ গণনা ও বায়োকেমিস্ট্রি (যেমন creatine phosphokinase) পরীক্ষা করতে হবে; প্রথম মাসে অন্তত সপ্তাহে একবার, দ্বিতীয় মাসে প্রতি দুই সপ্তাহে একবার এবং পরবর্তীতে পুরো চিকিৎসাকাল জুড়ে মাসে একবার পরীক্ষা করতে হবে। চিকিৎসা শুরু করার আগে, সাইকেল ১-এর ৮ ও ১৫তম দিনে এবং পরবর্তী দুইটি সাইকেলের শুরুতে ECG (electrocardiogram) পরীক্ষা করতে হবে।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

অন্যান্য ওষুধের প্রভাব (Gilteritinib এর উপর): Gilteritinib এর সাথে P-gp ও শক্তিশালী CYP3A ইনডিউসার একসাথে ব্যবহার করলে এর রক্তে মাত্রা কমে যেতে পারে, ফলে ওষুধের কার্যকারিতা হ্রাস পেতে পারে। তাই এ ধরনের ওষুধ একসাথে ব্যবহার এড়ানো উচিত।

শক্তিশালী CYP3A ইনহিবিটর: শক্তিশালী CYP3A ইনহিবিটরের সাথে ব্যবহার করলে Gilteritinib এর মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই বিকল্প ওষুধ বিবেচনা করা উচিত। একসাথে ব্যবহার অপরিহার্য হলে রোগীকে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার জন্য নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং প্রয়োজনে ডোজ কমানো বা বন্ধ করতে হতে পারে।

Gilteritinib এর অন্যান্য ওষুধের উপর প্রভাব: Gilteritinib 5HT2B রিসেপ্টর বা সিগমা নন-স্পেসিফিক রিসেপ্টরে কাজ করে এমন ওষুধের কার্যকারিতা কমাতে পারে (যেমন এসসিটালোপ্রাম, ফ্লুওক্সেটিন, সারট্রালিন)। প্রয়োজন ছাড়া এ ধরনের ওষুধ একসাথে ব্যবহার করা উচিত নয়।

প্রতিনির্দেশনা

Gilteritinib বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা থাকলে এটি ব্যবহার করা যাবে না। ক্লিনিক্যাল স্টাডিতে অ্যানাফাইল্যাক্টিক প্রতিক্রিয়ার ঘটনাও রিপোর্ট হয়েছে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

রিপোর্টকৃত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে:

  • জ্বর
  • মাথা ঘোরা বা হালকা লাগা
  • কাশি
  • দ্রুত ওজন বৃদ্ধি
  • শ্বাস নিতে কষ্ট
  • হাত বা পা ফুলে যাওয়া
  • র‍্যাশ
  • প্রস্রাব কমে যাওয়া
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: প্রাণী পরীক্ষার ফলাফল এবং কার্যপ্রণালী অনুযায়ী, গিল্টেরিটিনিব গর্ভাবস্থায় ব্যবহার করলে ভ্রূণের ক্ষতি হতে পারে। মানুষের ক্ষেত্রে এ বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য নেই। প্রাণী গবেষণায় দেখা গেছে, অর্গানোজেনেসিস পর্যায়ে ওষুধ গ্রহণ করলে ভ্রূণের বিকাশগত সমস্যা ও বিষক্রিয়া হতে পারে, যা মানুষের প্রস্তাবিত ডোজের সমতুল্য বা বেশি এক্সপোজারে দেখা গেছে। প্রজনন সক্ষম নারীদের চিকিৎসাকালীন এবং শেষ ডোজের পর কমপক্ষে ৬ মাস পর্যন্ত কার্যকর জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিত। মানুষের ক্ষেত্রে জন্মগত ত্রুটি বা গর্ভপাতের ঝুঁকি নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি, তবে সাধারণ ঝুঁকি বিদ্যমান।

স্তন্যদান: গিল্টেরিটিনিব বা এর মেটাবোলাইট মানব দুধে নির্গত হয় কিনা বা শিশুর উপর কী প্রভাব ফেলে তা জানা যায়নি। সম্ভাব্য গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে চিকিৎসাকালীন এবং শেষ ডোজের পর কমপক্ষে ২ মাস পর্যন্ত স্তন্যদান করা উচিত নয়।

সতর্কতা

ডিফারেনশিয়েশন সিনড্রোম: ক্লিনিক্যাল গবেষণায় গিল্টেরিটিনিব ব্যবহারে ডিফারেনশিয়েশন সিনড্রোম দেখা গেছে, যা চিকিৎসা না করলে জীবনহানিকর হতে পারে। লক্ষণগুলোর মধ্যে জ্বর, শ্বাসকষ্ট, ফোলা, ফুসফুসে সমস্যা, নিম্ন রক্তচাপ এবং অঙ্গের কার্যকারিতা হ্রাস অন্তর্ভুক্ত। দ্রুত শনাক্ত করে কর্টিকোস্টেরয়েড ও সহায়ক চিকিৎসা প্রয়োজন।

পোস্টেরিয়র রিভার্সিবল এনসেফালোপ্যাথি সিনড্রোম (PRES): খিঁচুনি, মানসিক অবস্থা পরিবর্তন এবং দৃষ্টিজনিত সমস্যাসহ PRES এর ঘটনা রিপোর্ট হয়েছে। সন্দেহ হলে ওষুধ বন্ধ করতে হবে।

QT ইন্টারভাল বৃদ্ধি: গিল্টেরিটিনিব QT ইন্টারভাল বাড়াতে পারে। তাই চিকিৎসার আগে ও চলাকালীন ECG পর্যবেক্ষণ করা উচিত। প্রয়োজন হলে ডোজ সমন্বয় বা বন্ধ করতে হতে পারে।

প্যানক্রিয়াটাইটিস: প্যানক্রিয়াটাইটিসের ঘটনা রিপোর্ট হয়েছে; লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনে চিকিৎসা পরিবর্তন করতে হবে।

ভ্রূণ বিষক্রিয়া: কার্যপ্রণালী অনুযায়ী গিল্টেরিটিনিব ভ্রূণের ক্ষতি করতে পারে, তাই চিকিৎসাকালীন ও পরবর্তী সময়ে জন্মনিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে হবে।

স্পেশিয়াল পপুলেশন

শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার: শিশুদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার: বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বা কার্যকারিতায় উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া যায়নি।

থেরাপিউটিক ক্লাস

সাইটোটক্সিক কেমোথেরাপি

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে ঠান্ডা ও শুকনো স্থানে সংরক্ষণ করুন এবং আলো থেকে দূরে রাখুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

সাধারণ প্রশ্ন

গিলটেরিটিনিব ফুমারেট এর কাজ কি?

গিলটেরিটিনিব ফুমারেট এর ব্যবহার?

গিলটেরিটিনিব ফুমারেট এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ?

গিলটেরিটিনিব ফুমারেট কিভাবে সেবন করতে হয় ?

কারা গিলটেরিটিনিব ফুমারেট গ্রহণ করবেন?

No available drugs found

  View in English