উচ্চ রক্তচাপ : লেনভাটিনিব ব্যবহারের আগে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত। চিকিৎসার প্রথম ২ মাস প্রতি ২ সপ্তাহে এবং পরে নিয়মিত রক্তচাপ পর্যবেক্ষণ করতে হবে। তীব্রতার ভিত্তিতে ডোজ কমানো, স্থগিত বা বন্ধ করতে হতে পারে।
হৃদযন্ত্রের অকার্যকারিতা : গুরুতর বা প্রাণঘাতী হৃদযন্ত্রের সমস্যা দেখা দিতে পারে। লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করা জরুরি। প্রয়োজনে ডোজ কমানো বা ওষুধ বন্ধ করতে হবে।
আর্টেরিয়াল থ্রম্বোএম্বোলিক ঘটনা : ধমনীর রক্ত জমাটের ঘটনা ঘটলে লেনভাটিনিব বন্ধ করতে হবে। পুনরায় শুরু করার নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়।
হেপাটোটক্সিসিটি : লিভারের কার্যকারিতা চিকিৎসার আগে এবং প্রথম ২ মাস প্রতি ২ সপ্তাহে, পরে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। গুরুতর ক্ষেত্রে ডোজ কমানো বা ওষুধ বন্ধ করতে হবে।
কিডনি বিকলতা বা অকার্যকারিতা : কিডনি সমস্যার ক্ষেত্রে তীব্রতা অনুযায়ী ডোজ কমানো বা ওষুধ বন্ধ করতে হতে পারে।
প্রোটিনিউরিয়া : চিকিৎসার আগে এবং চিকিৎসাকালীন নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে। ২+ বা তার বেশি হলে ২৪ ঘণ্টার প্রস্রাব পরীক্ষা করতে হবে। প্রয়োজনে ডোজ কমানো বা বন্ধ করতে হবে।
ডায়রিয়া : গুরুতর ডায়রিয়া হলে দ্রুত চিকিৎসা দিতে হবে। প্রয়োজনে ডোজ কমানো বা ওষুধ বন্ধ করতে হবে।
ফিস্টুলা ও গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল পারফোরেশন : এ ধরনের জটিলতা দেখা দিলে স্থায়ীভাবে ওষুধ বন্ধ করতে হবে।
QT ইন্টারভ্যাল বৃদ্ধি : চিকিৎসার আগে ও চলাকালীন ECG ও ইলেক্ট্রোলাইট পর্যবেক্ষণ করতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।
হাইপোক্যালসেমিয়া : ক্যালসিয়াম কমে যেতে পারে; প্রয়োজনে ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট দিতে হবে।
রিভার্সিবল পোস্টেরিয়র লিউকোএনসেফালোপ্যাথি সিনড্রোম : স্নায়বিক লক্ষণ দেখা দিলে ডোজ কমানো বা ওষুধ বন্ধ করতে হবে।
রক্তক্ষরণজনিত ঘটনা : গুরুতর রক্তক্ষরণ হলে চিকিৎসা বন্ধ বা ডোজ কমাতে হবে।
থাইরয়েড হরমোন দমন/থাইরয়েড অকার্যকারিতা : চিকিৎসার আগে এবং নিয়মিত থাইরয়েড ফাংশন পরীক্ষা করা উচিত।
ক্ষত নিরাময়ে জটিলতা : সার্জারির আগে কমপক্ষে ৬ দিন ওষুধ বন্ধ রাখতে হবে এবং ক্ষত ভালোভাবে শুকানোর পর পুনরায় শুরু করতে হবে। গুরুতর ক্ষেত্রে স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হতে পারে।