Loading...

অ্যাডালিমুমাব

Generic Medicine
নির্দেশনা

অ্যাডালিমুমাব ইনজেকশন একটি টিউমার নেক্রোসিস ফ্যাক্টর (TNF) ইনহিবিটর। এটি নিচের রোগগুলোর চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়—

  • রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস (RA): মাঝারি থেকে তীব্র সক্রিয় RA-তে প্রাপ্তবয়স্কদের ব্যথা, ফোলা ও অন্যান্য উপসর্গ কমাতে, জয়েন্টের ক্ষতি ধীর করতে এবং শারীরিক সক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করে।
  • জুভেনাইল ইডিওপ্যাথিক আর্থ্রাইটিস (JIA): ২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের পলিআর্টিকুলার JIA-তে উপসর্গ কমায়।
  • সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস (PsA): সক্রিয় PsA-তে জয়েন্টের ক্ষতি কমায় ও চলাফেরার সক্ষমতা বাড়ায়।
  • অ্যাঙ্কাইলোজিং স্পন্ডাইলাইটিস (AS): প্রাপ্তবয়স্কদের সক্রিয় AS-এর উপসর্গ কমায়।
  • প্রাপ্তবয়স্কদের ক্রোনস ডিজিজ: প্রচলিত চিকিৎসায় সাড়া না দিলে মাঝারি থেকে তীব্র ক্রোনস ডিজিজে উপসর্গ কমাতে ও রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। ইনফ্লিক্সিম্যাবে সাড়া না পাওয়া বা সহ্য করতে না পারা রোগীদের ক্ষেত্রেও কার্যকর।
  • শিশুদের ক্রোনস ডিজিজ: ৬ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে, কর্টিকোস্টেরয়েড বা ইমিউনোমডুলেটরে সাড়া না দিলে রোগ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
  • আলসারেটিভ কোলাইটিস (UC): প্রচলিত ইমিউনোসাপ্রেসিভ চিকিৎসায় সাড়া না দিলে মাঝারি থেকে তীব্র UC-তে রোগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
  • প্লাক সোরিয়াসিস: মাঝারি থেকে তীব্র দীর্ঘমেয়াদি প্লাক সোরিয়াসিসে, যখন সিস্টেমিক থেরাপি বা ফটোথেরাপি প্রয়োজন।
  • হাইড্রাডেনাইটিস সাপুরাটিভা (HS): মাঝারি থেকে তীব্র HS-এর চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
ফার্মাকোলজি

অ্যাডালিমুমাব একটি রিকম্বিন্যান্ট মানব IgG1 মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি, যা বিশেষভাবে মানব টিউমার নেক্রোসিস ফ্যাক্টর (TNF)-কে লক্ষ্য করে। এটি TNF-আলফার সাথে যুক্ত হয়ে কোষের পৃষ্ঠে থাকা p55 এবং p75 TNF রিসেপ্টরের সাথে এর মিথস্ক্রিয়া প্রতিরোধ করে। ইন ভিট্রো অবস্থায়, কমপ্লিমেন্টের উপস্থিতিতে Adalimumab পৃষ্ঠে TNF প্রকাশকারী কোষগুলোর লাইসিস (ধ্বংস) ঘটাতেও সক্ষম। TNF একটি স্বাভাবিকভাবে উৎপন্ন সাইটোকাইন, যা স্বাভাবিক প্রদাহজনিত ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, জুভেনাইল ইডিওপ্যাথিক আর্থ্রাইটিস, সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস এবং অ্যাঙ্কাইলোজিং স্পন্ডাইলাইটিস রোগীদের সিনোভিয়াল তরলে TNF-এর মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া যায়, যা এই রোগগুলোর বৈশিষ্ট্যপূর্ণ রোগজনিত প্রদাহ ও জয়েন্টের ক্ষতিতে ভূমিকা রাখে। এছাড়াও সোরিয়াসিস প্ল্যাকেও TNF-এর মাত্রা বেশি থাকে। প্ল্যাক সোরিয়াসিস রোগীদের ক্ষেত্রে Adalimumab ব্যবহারে এপিডার্মিসের পুরুত্ব কমতে পারে এবং প্রদাহজনিত কোষের অনুপ্রবেশ হ্রাস পেতে পারে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস, অ্যানকাইলোজিং স্পন্ডিলাইটিস : প্রতি দুই সপ্তাহ অন্তর ৪০ মি.গ্রা. দেওয়া হয়। যেসব রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস (RA) রোগী মেথোট্রেক্সেট গ্রহণ করছেন না, তাদের ক্ষেত্রে ডোজ বাড়িয়ে প্রতি সপ্তাহে ৪০ মি.গ্রা. দেওয়া উপকারী হতে পারে।

জুভেনাইল ইডিওপ্যাথিক আর্থ্রাইটিস

  • ১০ কেজি থেকে <১৫ কেজি: প্রতি দুই সপ্তাহে ১০ মি.গ্রা.
  • ১৫ কেজি থেকে <৩০ কেজি: প্রতি দুই সপ্তাহে ২০ মি.গ্রা.
  • ≥৩০ কেজি: প্রতি দুই সপ্তাহে ৪০ মি.গ্রা.

প্রাপ্তবয়স্কদের ক্রোন্স ডিজিজ ও আলসারেটিভ কোলাইটিস

  • প্রাথমিক ডোজ (দিন ১): ১৬০ মি.গ্রা. (এক দিনে চারটি ৪০ মি.গ্রা. ইনজেকশন অথবা টানা দুই দিনে প্রতিদিন দুটি করে ৪০ মি.গ্রা. ইনজেকশন)
  • দ্বিতীয় ডোজ (দিন ১৫): ৮০ মি.গ্রা.
  • এরপর (দিন ২৯): রক্ষণাবেক্ষণ ডোজ হিসেবে প্রতি দুই সপ্তাহে ৪০ মি.গ্রা.

শুধুমাত্র আলসারেটিভ কোলাইটিস রোগীদের জন্য:
যেসব রোগীর ৮ সপ্তাহ (দিন ৫৭) চিকিৎসার মধ্যে ক্লিনিক্যাল উন্নতির প্রমাণ পাওয়া যায়, তাদের ক্ষেত্রেই অ্যাডালিমুম্যাব চালিয়ে যাওয়া উচিত।

শিশুদের ক্রোন্স ডিজিজ

  • ১৭ কেজি থেকে <৪০ কেজি:
    • প্রাথমিক ডোজ (দিন ১): ৮০ মি.গ্রা. (এক দিনে দুটি ৪০ মি.গ্রা. ইনজেকশন)
    • দ্বিতীয় ডোজ (দিন ১৫): ৪০ মি.গ্রা.
    • এরপর (দিন ২৯): প্রতি দুই সপ্তাহে ২০ মি.গ্রা.
  • ≥৪০ কেজি: প্রাথমিক ডোজ (দিন ১): ১৬০ মি.গ্রা. দ্বিতীয় ডোজ (দিন ১৫): ৮০ মি.গ্রা. এরপর (দিন ২৯): প্রতি দুই সপ্তাহে ৪০ মি.গ্রা.

প্লাক সোরিয়াসিস

  • প্রাথমিক ডোজ ৮০ মি.গ্রা., এরপর এক সপ্তাহ পর থেকে প্রতি দুই সপ্তাহে ৪০ মি.গ্রা.।
  • হাইড্রাডেনাইটিস সাপুরাটিভা : প্রাথমিক ডোজ (দিন ১): ১৬০ মি.গ্রা. দ্বিতীয় ডোজ (দিন ১৫): ৮০ মি.গ্রা. তৃতীয় ডোজ (দিন ২৯) এবং পরবর্তী ডোজ: প্রতি সপ্তাহে ৪০ মি.গ্রা.

এই ওষুধটি ত্বকের নিচে (subcutaneous injection) ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রদান করা হয়।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

অ্যাবাটাসেপ্ট (Abatacept): গুরুতর সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

অ্যানাকিনরা (Anakinra): গুরুতর সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

লাইভ ভ্যাকসিন: অ্যাডালিমুম্যাব চিকিৎসা চলাকালীন এড়িয়ে চলা উচিত।

প্রতিনির্দেশনা

যাদের অ্যাডালিমুমাব বা এর উপাদানে অ্যালার্জি আছে, তাদের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

অ্যাডালিমুমাবের সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলো ইনজেকশন দেওয়ার স্থানে প্রতিক্রিয়া, যেমন লালচে ভাব (erythema), চুলকানি, রক্তপাত, ব্যথা বা ফোলা। রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস রোগীদের ক্ষেত্রে যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলোর কারণে চিকিৎসা বন্ধ করতে হতে পারে, সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ হলো রোগের তীব্রতা বৃদ্ধি (clinical flare), ত্বকে ফুসকুড়ি (rash) এবং নিউমোনিয়া। এছাড়াও নিম্নলিখিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলি রিপোর্ট করা হয়েছে:

পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা :ডাইভার্টিকুলাইটিস, বৃহদান্ত্রের ছিদ্র (ডাইভার্টিকুলাইটিসসহ), অ্যাপেন্ডিসাইটিসজনিত অ্যাপেন্ডিক্স ছিদ্র, প্যানক্রিয়াটাইটিস।

সাধারণ সমস্যা ও প্রয়োগস্থল সম্পর্কিত অবস্থা : জ্বর (পাইরেক্সিয়া)।

যকৃত ও পিত্তনালীর সমস্যা : হেপাটাইটিস, লিভার ফেইলিউর।

ইমিউন সিস্টেমের সমস্যা : সারকয়ডোসিস।

নিওপ্লাজম (সৌম্য, ম্যালিগন্যান্ট ও অনির্দিষ্ট) : মার্কেল সেল কার্সিনোমা (ত্বকের এক ধরনের নিউরোএন্ডোক্রাইন ক্যান্সার)।

স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা : ডিমাইলিনেটিং রোগ (যেমন অপটিক নিউরাইটিস, গিলিয়ান-বারে সিন্ড্রোম), সেরিব্রোভাসকুলার অ্যাক্সিডেন্ট (স্ট্রোক)।

শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা : ইন্টারস্টিশিয়াল লাং ডিজিজ (ফুসফুসের ফাইব্রোসিসসহ), পালমোনারি এম্বোলিজম।

ত্বকের প্রতিক্রিয়া : স্টিভেনস-জনসন সিন্ড্রোম, কিউটেনিয়াস ভাসকুলাইটিস, এরিথেমা মাল্টিফর্মে, নতুন বা খারাপ হওয়া সোরিয়াসিস (পুস্টুলার ও পামোপ্লান্টার ধরনেরসহ), চুল পড়া (অ্যালোপেসিয়া)।

রক্তনালীর সমস্যা : সিস্টেমিক ভাসকুলাইটিস, ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

অ্যাডালিমুমাব গর্ভাবস্থার ক্যাটাগরি বি (Pregnancy Category B) হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ। গর্ভবতী নারীদের উপর পর্যাপ্ত ও নিয়ন্ত্রিত গবেষণা পরিচালিত হয়নি। IgG1 মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি হওয়ায় অ্যাডালিমুম্যাব প্লাসেন্টা অতিক্রম করতে পারে, বিশেষ করে গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিকে। সীমিত প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা যায় যে, অ্যাডালিমুমাব মানব দুধে অল্প পরিমাণে উপস্থিত থাকে এবং এটি স্তন্যপানকারী শিশুর শরীরে শোষিত হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে নবজাতক বা প্রিম্যাচিউর (অপরিণত) শিশুদের ক্ষেত্রে এর শোষণ সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। সুতরাং, স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে অ্যাডালিমুম্যাব ব্যবহার করার সময় সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

সতর্কতা

গুরুতর সংক্রমণ : যেসব রোগীর সক্রিয় সংক্রমণ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে অ্যাডালিমুম্যাব শুরু করা উচিত নয়। চিকিৎসার সময় যদি সংক্রমণ হয়, রোগীকে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং সংক্রমণ গুরুতর হলে চিকিৎসা বন্ধ করতে হবে।

আক্রমণাত্মক ছত্রাক সংক্রমণ : অ্যাডালিমুম্যাব নেওয়ার সময় যদি সিস্টেমিক অসুস্থতা দেখা দেয়, তবে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অ্যান্টিফাঙ্গাল চিকিৎসা বিবেচনা করা উচিত, বিশেষ করে যেসব ব্যক্তি এমন অঞ্চলে বসবাস করেন বা ভ্রমণ করেন যেখানে স্থানীয়ভাবে ছত্রাকজনিত সংক্রমণ বেশি হয়।

ক্যান্সার : অ্যাডালিমুম্যাব গ্রহণকারী রোগীদের মধ্যে ক্যান্সারের হার নিয়ন্ত্রণ গোষ্ঠীর তুলনায় বেশি দেখা গেছে।

অ্যানাফাইল্যাক্সিস ও গুরুতর অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া : চিকিৎসার সময় এসব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

হেপাটাইটিস বি ভাইরাস (HBV) পুনরায় সক্রিয় হওয়া: HBV বহনকারী রোগীদের চিকিৎসাকালীন এবং চিকিৎসা শেষ হওয়ার পর কয়েক মাস পর্যন্ত পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। পুনরায় সক্রিয় হলে অ্যাডালিমুম্যাব বন্ধ করে উপযুক্ত অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা শুরু করতে হবে।

ডিমাইলিনেটিং রোগ : নতুনভাবে বা পূর্বের রোগের অবনতি ঘটতে পারে।

সাইটোপেনিয়া ও প্যানসাইটোপেনিয়া : উপসর্গ দেখা দিলে রোগীকে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে; প্রয়োজনে অ্যাডালিমুম্যাব বন্ধ করার কথা বিবেচনা করতে হবে।

হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতা : নতুনভাবে বা পূর্বের হার্ট ফেইলিউর খারাপ হতে পারে।

লুপাস-সদৃশ সিন্ড্রোম : এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে অ্যাডালিমুম্যাব চিকিৎসা বন্ধ করতে হবে।

স্পেশিয়াল পপুলেশন

শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার : পলিআর্টিকুলার জুভেনাইল ইডিওপ্যাথিক আর্থ্রাইটিস (JIA) এবং শিশুদের ক্রোন’স রোগ ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে শিশুদের মধ্যে Adalimumab-এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার : ক্লিনিক্যাল গবেষণায় ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী ৫১৯ জন রোগী (এর মধ্যে ৭৫ বছর বা তার বেশি বয়সী ১০৭ জন) Adalimumab গ্রহণ করেছেন। কম বয়সী রোগীদের তুলনায় কার্যকারিতায় সামগ্রিক কোনো পার্থক্য দেখা যায়নি। তবে ৬৫ বছরের বেশি বয়সী Adalimumab গ্রহণকারী রোগীদের মধ্যে গুরুতর সংক্রমণ এবং ক্যান্সারের হার বেশি ছিল। যেহেতু বয়স্কদের সাধারণত সংক্রমণ ও ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি থাকে, তাই এই গোষ্ঠীর রোগীদের চিকিৎসায় সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

মাত্রাধিকত্যা

মানুষের ক্ষেত্রে অ্যাডালিমুম্যাবের সর্বোচ্চ সহনীয় ডোজ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে ১০ মি.গ্রা./কেজি পর্যন্ত একাধিক ডোজ দেওয়া হলেও ডোজ-সীমাবদ্ধ কোনো বিষক্রিয়া দেখা যায়নি। অতিরিক্ত মাত্রা (ওভারডোজ) গ্রহণের ক্ষেত্রে রোগীকে সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার জন্য ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং দ্রুত উপযুক্ত লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা প্রদান করতে হবে।

থেরাপিউটিক ক্লাস

অ্যাডালিমুম্যাব একটি ডিএমএআরডি (Disease-modifying antirheumatic drug) শ্রেণির ওষুধ এবং এটি ইমিউনোসাপ্রেস্যান্ট হিসেবে কাজ করে।

সংরক্ষণ

কনটেইনারে উল্লেখিত মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখের পরে ওষুধটি ব্যবহার করবেন না। অ্যাডালিমুম্যাব ২° থেকে ৮° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হবে। এটি জমিয়ে রাখা যাবে না। প্রি-ফিলড সিরিঞ্জটি আলো থেকে সুরক্ষিত রাখতে হবে এবং ব্যবহার করার আগ পর্যন্ত মূল বাক্সে সংরক্ষণ করতে হবে।

সাধারণ প্রশ্ন

অ্যাডালিমুমাব কিসের ওষুধ?

অ্যাডালিমুমাব এর কাজ কি?

অ্যাডালিমুমাব এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলো কি কি?

অ্যাডালিমুমাব বেশি নিলে কি হয়?

গর্ভাবস্থায় অ্যাডালিমুমাব নেওয়া যাবে কি?

No available drugs found

  View in English