ডোরিপেনেমের প্রস্তাবিত ডোজ হলো ৫০০ মিগ্রা, যা ≥১৮ বছর বয়সী রোগীদের ক্ষেত্রে প্রতি ৮ ঘণ্টা অন্তর ১ ঘণ্টা ধরে শিরায় (IV infusion) প্রয়োগ করা হয়—
- জটিল ইনট্রা-অ্যাবডোমিনাল সংক্রমণ: ৫–১৪ দিন পর্যন্ত প্রতি ৮ ঘণ্টা অন্তর ৫০০ মিগ্রা। ইনফিউশন সময়: ১ ঘণ্টা।
- জটিল মূত্রনালী সংক্রমণ (UTI), পাইলোনেফ্রাইটিসসহ: ১০ দিন পর্যন্ত প্রতি ৮ ঘণ্টা অন্তর ৫০০ মিগ্রা। ইনফিউশন সময়: ১ ঘণ্টা।
কিডনি সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে ডোরিপেনেমের ডোজ—
- CrCl >50 mL/min: ডোজ পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই
- CrCl ≥30 থেকে ≤50 mL/min: প্রতি ৮ ঘণ্টা অন্তর ২৫০ মিগ্রা শিরায় (১ ঘণ্টা ধরে) প্রয়োগ করতে হবে।
- CrCl >10 থেকে <30 mL/min: প্রতি ১২ ঘণ্টা অন্তর ২৫০ মিগ্রা শিরায় (১ ঘণ্টা ধরে) প্রয়োগ করতে হবে।
বয়স্ক রোগী: যেসব বয়স্ক রোগীর কিডনি স্বাভাবিকভাবে (তাদের বয়স অনুযায়ী) কাজ করে, তাদের জন্য ডোজ পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।
প্রয়োগবিধি
সলিউশন প্রস্তুতি: ডোরিপেনেমে কোনো ব্যাক্টেরিওস্ট্যাটিক প্রিজারভেটিভ থাকে না। ইনফিউশন সলিউশন প্রস্তুতের সময় অবশ্যই অ্যাসেপ্টিক পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।
ডোরিপেনেম ৫০০ মিগ্রা প্রস্তুতি: ৫০০ মিগ্রা ভায়ালে ১০ মি.লি. স্টেরাইল ইনজেকশন ওয়াটার বা ০.৯% সোডিয়াম ক্লোরাইড ইনজেকশন (নরমাল স্যালাইন) যোগ করে হালকাভাবে ঝাঁকাতে হবে যাতে সাসপেনশন তৈরি হয়। প্রস্তুত দ্রবণের ঘনত্ব প্রায় ৫০ মিগ্রা/মি.লি.।
সতর্কতা: প্রস্তুতকৃত সাসপেনশন সরাসরি ইনজেকশনের জন্য নয়। ২১ গেজ সূঁচযুক্ত সিরিঞ্জ দিয়ে সাসপেনশন তুলে ১০০ মি.লি. নরমাল স্যালাইন বা ৫% ডেক্সট্রোজযুক্ত ইনফিউশন ব্যাগে যোগ করতে হবে এবং পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত হালকাভাবে ঝাঁকাতে হবে। চূড়ান্ত ইনফিউশন সলিউশনের ঘনত্ব প্রায় ৪.৫ মিগ্রা/মি.লি.।
ডোরিপেনেম ২৫০ মিগ্রা প্রস্তুতি: ২৫০ মিগ্রা ভায়ালে ১০ মি.লি. স্টেরাইল ইনজেকশন ওয়াটার বা ০.৯% সোডিয়াম ক্লোরাইড ইনজেকশন (নরমাল স্যালাইন) যোগ করে হালকাভাবে ঝাঁকাতে হবে যাতে সাসপেনশন তৈরি হয়।