অ্যামিওডারোনের গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া প্রধানত ফুসফুসে দেখা যায় এবং তা প্রাণঘাতী হতে পারে। কাশি, জ্বর বা শ্বাস নিতে ব্যথা হলে দ্রুত জানাতে হবে। দুর্লভ ক্ষেত্রে মারাত্মক লিভার ক্ষতি হতে পারে। এছাড়া কর্নিয়ায় জমা (রাতে ঝলকানি দেখা), অপটিক নিউরাইটিসজনিত দৃষ্টি সমস্যা, পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি এবং পেশির দুর্বলতা (সাধারণত বন্ধ করলে সেরে যায়) দেখা দিতে পারে। হৃদস্পন্দন ধীর হওয়া ও কন্ডাকশন সমস্যা হতে পারে। ত্বকে আলোতে সংবেদনশীলতা ও কখনো স্থায়ী রঙ পরিবর্তন হতে পারে। থাইরয়েডের সমস্যা (হাইপো/হাইপার), লিভার এনজাইম বৃদ্ধি, জন্ডিস, হেপাটাইটিস ও সিরোসিস রিপোর্ট হয়েছে। অন্যান্য উপসর্গের মধ্যে বমি, ধাতব স্বাদ, কাঁপুনি, ঘাম, মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা, অনিদ্রা, ক্লান্তি, চুল পড়া, মস্তিষ্কে চাপ বৃদ্ধি, সমন্বয়হীনতা, র্যাশ, ভাস্কুলাইটিস, কিডনি সমস্যা, প্লাটিলেট কমে যাওয়া ও বিভিন্ন ধরনের রক্তস্বল্পতা থাকতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে ডোজ কমানো বা ওষুধ বন্ধ করা প্রয়োজন হতে পারে।