আর্মোডাফিনিল প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের জাগ্রততা বাড়াতে ব্যবহৃত হয় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে:
- অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া (OSA)
- নারকোলেপসি
- শিফট ওয়ার্ক স্লিপ ডিসঅর্ডার (SWD)
আর্মোডাফিনিল প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের জাগ্রততা বাড়াতে ব্যবহৃত হয় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে:
আর্মোডাফিনিল হলো মডাফিনিলের R-এনান্টিওমার এবং এটি একটি ইনডাইরেক্ট ডোপামিন অ্যাগোনিস্ট হিসেবে কাজ করে। এটি ডোপামিন ট্রান্সপোর্টারের সাথে যুক্ত হয়ে ডোপামিনের পুনঃশোষণ কমায়, ফলে মস্তিষ্কে ডোপামিনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে হাইপোথ্যালামাসে নিউরোনাল কার্যকলাপ বৃদ্ধি পায়, বিশেষ করে টিউবেরোম্যামিলারি নিউক্লিয়াস (TMN)-এ, যা জাগ্রততা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
প্রাপ্তবয়স্ক:
শিশু: ১৭ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়।
বয়স্ক: বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে বার্ধক্যের কারণে আর্মোডাফিনিল ও এর মেটাবোলাইটের নির্গমন কম হতে পারে। তাই এই ক্ষেত্রে কম ডোজ ব্যবহার এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
আর্মোডাফিনিল CYP3A4/3A5 দ্বারা মেটাবলাইজ হওয়া ওষুধের ক্লিয়ারেন্স বাড়াতে পারে (যেমন: হরমোনাল কনট্রাসেপ্টিভ, সাইক্লোসপোরিন, মিডাজোলাম, ট্রায়াজোলাম), ফলে এসব ওষুধের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে। প্রয়োজন হলে ডোজ সমন্বয় করতে হবে।
এটি CYP2C19 ইনহিবিট করে কিছু ওষুধের (যেমন: ফেনাইটয়েন, ডায়াজেপাম, প্রোপ্রানোলল, ওমিপ্রাজল, ক্লোমিপ্রামিন) রক্তের মাত্রা বাড়াতে পারে, তাই ডোজ পরিবর্তন প্রয়োজন হতে পারে।
ওয়ারফারিনের সাথে ব্যবহার করলে INR নিয়মিত পরীক্ষা করা উচিত। MAO ইনহিবিটরের সাথে ব্যবহারেও সতর্কতা প্রয়োজন।
যেসব রোগীর আর্মোডাফিনিল বা এর উপাদানের প্রতি অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যাবে না।
গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে ত্বকের মারাত্মক প্রতিক্রিয়া (যেমন স্টিভেনস-জনসন সিনড্রোম), অ্যাঞ্জিওএডিমা, অ্যানাফাইল্যাক্সিস, বহু অঙ্গের অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া, অতিরিক্ত ঘুমভাব, মানসিক সমস্যা এবং হৃদরোগজনিত সমস্যা।
গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত গবেষণা নেই। তাই উপকার বেশি হলে তবেই ব্যবহার করা উচিত। এটি মায়ের দুধে যায় কিনা জানা যায়নি, তাই স্তন্যদানকালে সতর্কতা প্রয়োজন।
এই ওষুধ গ্রহণের পর গাড়ি বা যন্ত্রপাতি চালানোর আগে সতর্ক থাকতে হবে। মানসিক রোগের ইতিহাস থাকলে (যেমন সাইকোসিস, ডিপ্রেশন, ম্যানিয়া) সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে। মানসিক সমস্যা দেখা দিলে ওষুধ বন্ধ করতে হবে। হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ নিয়মিত পরীক্ষা করা উচিত এবং হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন।
লিভার সমস্যা: গুরুতর ক্ষেত্রে ডোজ কমাতে হবে
কিডনি সমস্যা: গুরুতর ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত তথ্য নেই
কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই। অতিরিক্ত ডোজে অস্থিরতা, অনিদ্রা এবং রক্তচাপ বা হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি পেতে পারে। সহায়ক চিকিৎসা দিতে হবে।
কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র উদ্দীপক ওষুধ।
২৫°C এর নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
আর্মোডাফিনিল কিসের ওষুধ?
আর্মোডাফিনিল এর কাজ কি?
আর্মোডাফিনিল এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলো কি কি?
আর্মোডাফিনিল বেশি খেলে কি হয় ?
গর্ভাবস্থায় আর্মোডাফিনিল খাওয়া যাবে কি?