Loading...

অ্যাসেনাপিন ম্যালিয়েট

Generic Medicine
নির্দেশনা

অ্যাসেনাপিন ম্যালিয়েট নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:

  • প্রাপ্তবয়স্কদের স্কিজোফ্রেনিয়া।
  • বাইপোলার I ডিসঅর্ডার।
  • প্রাপ্তবয়স্ক ও ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের ম্যানিক বা মিক্সড এপিসোডের একক চিকিৎসা।
  • প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে লিথিয়াম বা ভ্যালপ্রোয়েটের সাথে সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে।
  • প্রাপ্তবয়স্কদের মেইনটেন্যান্স মনোথেরাপি হিসেবে।
ফার্মাকোলজি

অ্যাসেনাপিনের সঠিক কার্যপ্রণালী পুরোপুরি জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হয় এটি ডোপামিন D2 এবং সেরোটোনিন 5-HT2A রিসেপ্টরের উপর অ্যান্টাগোনিস্ট হিসেবে কাজ করে, যা মুড ও আচরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

স্কিজোফ্রেনিয়া: প্রাপ্তবয়স্ক

  • প্রাথমিক ডোজ: দিনে ২ বার জিহ্বার নিচে ৫ মি.গ্রা.
  • প্রস্তাবিত ডোজ: দিনে ২ বার জিহ্বার নিচে ৫ মি.গ্রা.
  • সর্বোচ্চ ডোজ: দিনে ২ বার জিহ্বার নিচে ১০ মি.গ্রা.

স্কিজোফ্রেনিয়ার মেইনটেন্যান্স চিকিৎসা (প্রাপ্তবয়স্ক)

  • প্রাথমিক ডোজ: দিনে ২ বার জিহ্বার নিচে ৫ মি.গ্রা.
  • প্রস্তাবিত ডোজ: দিনে ২ বার জিহ্বার নিচে ৫-১০ মি.গ্রা.
  • সর্বোচ্চ ডোজ: দিনে ২ বার জিহ্বার নিচে ১০ মি.গ্রা.

বাইপোলার ম্যানিয়া (প্রাপ্তবয়স্ক): একক থেরাপি

  • প্রাথমিক ডোজ: দিনে ২ বার জিহ্বার নিচে ৫-১০ মি.গ্রা.
  • প্রস্তাবিত ডোজ: দিনে ২ বার জিহ্বার নিচে ৫-১০ মি.গ্রা.
  • সর্বোচ্চ ডোজ: দিনে ২ বার জিহ্বার নিচে ১০ মি.গ্রা.

বাইপোলার ম্যানিয়া (১০-১৭ বছর): একক থেরাপি

  • প্রাথমিক ডোজ: দিনে ২ বার জিহ্বার নিচে ২.৫ মি.গ্রা.
  • প্রস্তাবিত ডোজ: দিনে ২ বার জিহ্বার নিচে ২.৫-১০ মি.গ্রা.
  • সর্বোচ্চ ডোজ: দিনে ২ বার জিহ্বার নিচে ১০ মি.গ্রা.

বাইপোলার ম্যানিয়া (প্রাপ্তবয়স্ক): লিথিয়াম বা ভ্যালপ্রোয়েটের সাথে

  • প্রাথমিক ডোজ: দিনে ২ বার জিহ্বার নিচে ৫ মি.গ্রা.
  • প্রস্তাবিত ডোজ: দিনে ২ বার জিহ্বার নিচে ৫-১০ মি.গ্রা.
  • সর্বোচ্চ ডোজ: দিনে ২ বার জিহ্বার নিচে ১০ মি.গ্রা.

সাবলিঙ্গুয়াল ট্যাবলেট গিলে ফেলা যাবে না। এটি জিহ্বার নিচে রেখে সম্পূর্ণ গলতে দিতে হবে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই এটি লালার সাথে গলে যায়। ওষুধ গ্রহণের পর ১০ মিনিট পর্যন্ত খাওয়া বা পান করা এড়িয়ে চলতে হবে।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

অ্যাসেনাপিন ম্যালিয়েট কিছু ওষুধের সাথে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত। এটি অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ ওষুধের সাথে ব্যবহার করলে রক্তচাপ অতিরিক্ত কমে যেতে পারে। এছাড়া CYP2D6 ইনহিবিটার ও সাবস্ট্রেট যেমন প্যারোক্সেটিনের সাথে ব্যবহার করলে ওষুধের মেটাবলিজম পরিবর্তিত হতে পারে।

প্রতিনির্দেশনা

অ্যাসেনাপিন গুরুতর লিভার সমস্যা (Child-Pugh C) থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না। যাদের এই ওষুধের প্রতি অ্যালার্জি রয়েছে তাদের ক্ষেত্রেও এটি নিষিদ্ধ। অ্যালার্জির লক্ষণের মধ্যে থাকতে পারে অ্যানাফাইল্যাক্সিস, অ্যাঞ্জিওএডিমা, রক্তচাপ কমে যাওয়া, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, জিহ্বা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, শ্বাসে শোঁ শোঁ শব্দ এবং ফুসকুড়ি।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে অস্থিরতা (আকাথিসিয়া), ঘুমভাব, মুখে অবশভাব, মাথা ঘোরা, এক্সট্রাপিরামিডাল লক্ষণ, বমি বমি ভাব, ক্ষুধা বৃদ্ধি, ক্লান্তি এবং ওজন বৃদ্ধি।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থার শেষ তিন মাসে ব্যবহার করলে নবজাতকের মধ্যে এক্সট্রাপিরামিডাল বা উইথড্রয়াল লক্ষণ দেখা দিতে পারে। এটি মায়ের দুধে যায় কিনা বা শিশুর উপর এর প্রভাব সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য নেই।

সতর্কতা

ডিমেনশিয়া-সম্পর্কিত মানসিক সমস্যায় ভোগা বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া QT interval বৃদ্ধি, নিউরোলেপটিক ম্যালিগন্যান্ট সিনড্রোম, টার্ডিভ ডিসকিনেসিয়া, মেটাবলিক সমস্যা, অর্থোস্ট্যাটিক হাইপোটেনশন, রক্তকণিকার সমস্যা, খিঁচুনি এবং মানসিক বা মোটর দক্ষতার সমস্যা থাকলে সতর্কতা প্রয়োজন।

মাত্রাধিকত্যা

অ্যাসেনাপিন অতিরিক্ত মাত্রার জন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই। সহায়ক চিকিৎসা, শ্বাসনালী ও অক্সিজেন নিশ্চিত করা এবং লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে হবে। গুরুতর এক্সট্রাপিরামিডাল লক্ষণে অ্যান্টিকোলিনার্জিক ওষুধ দেওয়া যেতে পারে। রোগী সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে, আলো থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

সাধারণ প্রশ্ন

অ্যাসেনাপিন ম্যালিয়েট কিসের ওষুধ?

অ্যাসেনাপিন ম্যালিয়েট এর কাজ কি?

অ্যাসেনাপিন ম্যালিয়েট এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলো কি কি?

অ্যাসেনাপিন ম্যালিয়েট বেশি খেলে কি হয় ?

গর্ভাবস্থায় অ্যাসেনাপিন ম্যালিয়েট খাওয়া যাবে কি?

Sublingual Tablet
Zukaria
Sublingual Tablet
5 mg
Incepta Pharmaceuticals Ltd.
Unit Price: ৳ 30.00
  View in English