Loading...

ক্লোজাপাইন

Generic Medicine
নির্দেশনা
  • যেসব রোগী সাধারণ অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধে সাড়া দেন না বা সহ্য করতে পারেন না, তাদের স্কিজোফ্রেনিয়া চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
  • পারকিনসন রোগে সৃষ্ট সাইকোসিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয।
ফার্মাকোলজি

ক্লোজাপিনকে একটি “অ্যাটিপিক্যাল” অ্যান্টিসাইকোটিক বলা হয়, কারণ এটি ডোপামিন রিসেপ্টরের সাথে ভিন্নভাবে কাজ করে এবং ডোপামিন-সম্পর্কিত আচরণে এর প্রভাব সাধারণ অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধের তুলনায় আলাদা। এটি D1, D2, D3 এবং D5 রিসেপ্টরে ডোপামিনের বন্ধনে প্রভাব ফেলে এবং D4 রিসেপ্টরের প্রতি এর বিশেষ আকর্ষণ বেশি। এ থেকে বোঝা যায় যে ক্লোজাপিন স্ট্রিয়াটাল রিসেপ্টরের তুলনায় লিম্বিক ডোপামিন রিসেপ্টরে বেশি কার্যকর, যা এর কম এক্সট্রাপিরামিডাল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়াও, ক্লোজাপিন অ্যাড্রেনার্জিক, কোলিনার্জিক, হিস্টামিনার্জিক এবং সেরোটোনার্জিক রিসেপ্টরের বিরুদ্ধেও প্রতিপক্ষ (antagonist) হিসেবে কাজ করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

স্কিজোফ্রেনিয়া:১৬ বছরের বেশি বয়সী প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রথম দিনে ১২.৫ মি.গ্রা. দিনে একবার বা দুইবার (বয়স্কদের জন্য ১২.৫ মি.গ্রা. একবার) দেওয়া হয়। দ্বিতীয় দিনে ২৫–৫০ মি.গ্রা. (বয়স্কদের জন্য ২৫–৩৭.৫ মি.গ্রা.) দেওয়া হয়। এরপর সহনশীলতা ভালো থাকলে ১৪–২১ দিনের মধ্যে ধীরে ধীরে প্রতিদিন ২৫–৫০ মি.গ্রা. করে (বয়স্কদের ক্ষেত্রে প্রতিদিন সর্বোচ্চ বৃদ্ধি ২৫ মি.গ্রা.) বাড়িয়ে মোট ৩০০ মি.গ্রা. পর্যন্ত ভাগ করে দেওয়া যায় (বড় ডোজটি রাতে দেওয়া উত্তম; প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২০০ মি.গ্রা. একবারে রাতে নেওয়া যেতে পারে)। প্রয়োজনে ডোজ আরও বাড়ানো যেতে পারে, প্রতি সপ্তাহে একবার (অগ্রাধিকারযোগ্য) বা দুইবার ৫০–১০০ মি.গ্রা. করে। সাধারণ ডোজ ২০০–৪৫০ মি.গ্রা. প্রতিদিন (সর্বোচ্চ ৯০০ মি.গ্রা. প্রতিদিন)।

পারকিনসন রোগে সাইকোসিস:১৬ বছরের বেশি বয়সী প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রথমে রাতে ১২.৫ মি.গ্রা. দেওয়া হয়, তারপর রোগীর প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী সপ্তাহে সর্বোচ্চ দুইবার ১২.৫ মি.গ্রা. করে বাড়ানো হয়। সাধারণত রাতে ২৫–৩৭.৫ মি.গ্রা. ডোজ ব্যবহৃত হয় এবং সাধারণ সর্বোচ্চ ডোজ ৫০ মি.গ্রা. প্রতিদিন। বিশেষ ক্ষেত্রে, ডোজ প্রতি সপ্তাহে ১২.৫ মি.গ্রা. করে বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ১০০ মি.গ্রা. পর্যন্ত দেওয়া যেতে পারে, যা দিনে ১–২ ভাগে নেওয়া হয়।

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

ক্লোজাপিনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের পারস্পরিক ক্রিয়া রয়েছে। অন্যান্য মাইলোসাপ্রেসিভ ওষুধের সাথে একসাথে ব্যবহার করলে মাইলোসাপ্রেশনের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। এটি সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম (CNS) সক্রিয় ওষুধ বা অ্যালকোহলের সাথে প্রতিক্রিয়া করে তাদের প্রভাব বাড়াতে পারে। বেনজোডায়াজেপিন বা অন্যান্য সাইকোট্রপিক ওষুধের সাথে ব্যবহার করলে অর্থোস্ট্যাটিক হাইপোটেনশন হতে পারে। ক্লোজাপিন উচ্চমাত্রায় প্রোটিনের সাথে যুক্ত থাকায় এটি অন্যান্য প্রোটিন-বাউন্ড ওষুধ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হতে পারে বা নিজেই সেগুলোকে প্রতিস্থাপিত করতে পারে, যেমন ওয়ারফারিন ও ডিগক্সিন। এছাড়া, সিমেটিডিন রক্তে ক্লোজাপিনের মাত্রা কমাতে পারে।

যদিও কার্বামাজেপিন ও ক্লোজাপিন একসাথে ব্যবহার সাধারণত সুপারিশ করা হয় না, তবে কার্বামাজেপিন বন্ধ করলে রক্তে ক্লোজাপিনের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। ফ্লুভক্সামিন, প্যারোক্সেটিন ও সারট্রালিনের সাথে ব্যবহার করলে ক্লোজাপিনের ডোজ কমানো উচিত। ক্লোজাপিন অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ ওষুধের প্রভাব বাড়াতে পারে এবং অন্যান্য অ্যান্টিকোলিনার্জিক ওষুধের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে পারে। অ্যাড্রেনালিন ব্যবহার সাধারণত এড়ানো উচিত, কারণ ক্লোজাপিনের আলফা-অ্যাড্রেনার্জিক ব্লকেজের কারণে এর প্রভাব উল্টো হতে পারে। সাইটোক্রোম P450 2D6 দ্বারা বিপাকিত ওষুধ বা এই এনজাইমের ইনহিবিটর (যেমন কুইনিডিন) এর সাথে ব্যবহার করলে ক্লোজাপিন বা অন্যান্য ওষুধের ডোজ সমন্বয় প্রয়োজন হতে পারে।

প্রতিনির্দেশনা

ক্লোজাপিন গুরুতর হৃদরোগ; তীব্র কিডনি সমস্যা; নিউট্রোপেনিয়া বা অ্যাগ্রানুলোসাইটোসিসের ইতিহাস; বোন ম্যারো রোগ; প্যারালাইটিক আইলিয়াস; অ্যালকোহলিক বা টক্সিক সাইকোসিস; সঞ্চালন ব্যর্থতা; ড্রাগ ইনটক্সিকেশন; কোমা; গুরুতর CNS ডিপ্রেশন; অনিয়ন্ত্রিত মৃগী; এবং স্তন্যদানকালে নিষিদ্ধ।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

ক্লোজাপিনের সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে কোষ্ঠকাঠিন্য, হালকা মাথা ঘোরা, তন্দ্রা, হালকা মাথাব্যথা, অতিরিক্ত লালা নিঃসরণ, বমি বমি ভাব বা বমি, এবং অস্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধি। তুলনামূলকভাবে কম দেখা যায় এমন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে পেটের অস্বস্তি, বুকজ্বালা এবং মুখ শুকিয়ে যাওয়া অন্তর্ভুক্ত।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভবতী নারীদের মধ্যে ক্লোজাপিন ব্যবহারের বিষয়ে পর্যাপ্ত গবেষণা নেই। প্রাণীর উপর গবেষণায় ভ্রূণের ওপর উল্লেখযোগ্য ক্ষতিকর প্রভাব দেখা যায়নি। চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে গর্ভাবস্থায় ক্লোজাপিন ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে প্রাণী গবেষণায় দেখা গেছে যে ক্লোজাপিন স্তন দুধে নিঃসৃত হয়, তাই ক্লোজাপিন গ্রহণকারী মায়েদের স্তন্যদান করা উচিত নয়।

সতর্কতা

ক্লোজাপিন হঠাৎ বন্ধ করা উচিত নয়; বরং ১–২ সপ্তাহ ধরে ধীরে ধীরে ডোজ কমাতে হবে। যদি জরুরি কারণে হঠাৎ বন্ধ করতে হয় (যেমন লিউকোপেনিয়া, মায়োকার্ডাইটিস বা কার্ডিওমায়োপ্যাথি), তবে রোগীকে সাইকোসিসের পুনরাবির্ভাব এবং কোলিনার্জিক রিবাউন্ডের লক্ষণ (মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া) এর জন্য পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। বয়স্ক রোগীরা অ্যাগ্রানুলোসাইটোসিস, হৃদরোগজনিত সমস্যা, অ্যান্টিকোলিনার্জিক প্রভাব এবং টারডিভ ডিসকিনেসিয়ার মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় বেশি সংবেদনশীল। অ্যাগ্রানুলোসাইটোসিসের ঝুঁকি গুরুতর এবং জীবনহানিকর হতে পারে। তাই নিয়মিত WBC পরীক্ষা করা জরুরি—প্রথম ৬ মাস সাপ্তাহিক, এরপর স্থিতিশীল থাকলে দুই সপ্তাহ অন্তর, এবং ওষুধ বন্ধের পর ৪ সপ্তাহ আবার সাপ্তাহিক। অন্যান্য বোন ম্যারো দমনকারী ওষুধের সাথে ব্যবহারে সতর্কতা প্রয়োজন, এবং ইওসিনোফিলিয়া হতে পারে, যা চিকিৎসা সাময়িক বা স্থায়ীভাবে বন্ধ করার প্রয়োজন হতে পারে।

ক্লোজাপিনে তন্দ্রা এবং মানসিক বা মোটর ক্ষমতার দুর্বলতা সাধারণ, যা গাড়ি চালানো বা যন্ত্র চালানোর মতো সতর্কতা প্রয়োজন এমন কাজে প্রভাব ফেলতে পারে। খিঁচুনির ঝুঁকিতে থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত, যেমন যাদের খিঁচুনির ইতিহাস, মাথায় আঘাত, মস্তিষ্কের ক্ষতি, অ্যালকোহল আসক্তি বা খিঁচুনির ঝুঁকি বাড়ায় এমন ওষুধ ব্যবহার করছেন। ক্লোজাপিন হালকা ও সাময়িক জ্বর সৃষ্টি করতে পারে, বিশেষত চিকিৎসার প্রথম দিকে, তবে এটি নিউরোলেপ্টিক ম্যালিগন্যান্ট সিনড্রোম (NMS) এর মতো গুরুতর প্রতিক্রিয়াও ঘটাতে পারে। এক্সট্রাপিরামিডাল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে খুব কম।

ক্লোজাপিন অ্যান্টিকোলিনার্জিক প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে, তাই প্রস্রাব ধরে রাখা, প্রোস্টেট বৃদ্ধি, ন্যারো-অ্যাঙ্গেল গ্লুকোমা, মুখ শুকানো, দৃষ্টিজনিত সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য বা অন্ত্রের বাধার ইতিহাস থাকলে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে, যা কখনো কখনো মারাত্মক হয়ে কিটোঅ্যাসিডোসিস, কোমা বা মৃত্যুর কারণ হতে পারে। তাই ডায়াবেটিস বা গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণজনিত সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতা এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। লিভারের রোগ থাকলে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে, কারণ হেপাটাইটিসের রিপোর্ট রয়েছে।

ক্লোজাপিন অর্থোস্ট্যাটিক হাইপোটেনশন এবং হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি করতে পারে, তাই নিম্ন রক্তচাপ বা হৃদরোগ/মস্তিষ্কজনিত রক্তনালীর রোগে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন। অন্যান্য সাইকোট্রপিক ওষুধ বা বেনজোডায়াজেপিনের সাথে একসাথে ব্যবহার করলে গুরুতর হৃদযন্ত্র ও শ্বাসযন্ত্রের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

ক্লোজাপিনের সাথে মায়োকার্ডাইটিস, পেরিকার্ডাইটিস, পেরিকার্ডিয়াল ইফিউশন, কার্ডিওমায়োপ্যাথি এবং কনজেস্টিভ হার্ট ফেইলিউরের মতো গুরুতর হৃদরোগের সম্পর্ক পাওয়া গেছে। বিশেষ করে চিকিৎসার প্রথম মাসে মায়োকার্ডাইটিসের কারণে মৃত্যুর ঘটনা রিপোর্ট হয়েছে, যদিও পরে-ও হতে পারে। শ্বাসকষ্ট, ক্লান্তি, বুকব্যথা, হৃদকম্পন, ফোলা বা অজানা জ্বরের মতো লক্ষণ দেখা দিলে সতর্কভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। মায়োকার্ডাইটিস সন্দেহ হলে ক্লোজাপিন বন্ধ করতে হবে এবং পুনরায় শুরু করা যাবে না। নিশ্চিত কার্ডিওমায়োপ্যাথির ক্ষেত্রে ঝুঁকির চেয়ে উপকার বেশি না হলে ওষুধ বন্ধ করতে হবে। এছাড়াও, রক্ত জমাট বাঁধা (থ্রম্বোএম্বোলিজম), যেমন পালমোনারি এম্বোলিজম ও স্ট্রোকের বিরল কিন্তু মারাত্মক ঘটনা রিপোর্ট হয়েছে।

মাত্রাধিকত্যা

ক্লোজাপিনের অতিরিক্ত মাত্রা সাধারণত চেতনার ব্যাঘাত ঘটায়, যার মধ্যে তন্দ্রাচ্ছন্নতা ও বিভ্রান্তি থেকে শুরু করে প্রলাপ এবং কোমা পর্যন্ত দেখা যায়। সাধারণ শারীরিক প্রভাবগুলোর মধ্যে রয়েছে দ্রুত হৃদস্পন্দন (ট্যাকিকার্ডিয়া), নিম্ন রক্তচাপ (হাইপোটেনশন), শ্বাসকষ্ট বা শ্বাসতন্ত্রের বিকলতা এবং অতিরিক্ত লালা নিঃসরণ। কিছু ক্ষেত্রে, অ্যাসপিরেশন নিউমোনিয়া এবং অনিয়মিত হৃদছন্দের মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে। খিঁচুনির ঘটনা জানা গেলেও তা তুলনামূলকভাবে বিরল। প্রাণঘাতী ঘটনার নথিভুক্ত প্রমাণ রয়েছে, যা সাধারণত ২৫০০ মিলিগ্রামের বেশি মাত্রায় ঘটে থাকে, যদিও কিছু রোগী ৪ গ্রামের বেশি সেবনের পরেও বেঁচে গেছেন।

ক্লোজাপিনের অতিরিক্ত মাত্রার চিকিৎসা মূলত সহায়ক এবং এর মূল লক্ষ্য হলো রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল করা। শ্বাসনালী পরিষ্কার রাখা এবং সঠিক অক্সিজেন সরবরাহ ও বায়ুচলাচল নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরবিটলসহ বা সরবিটল ছাড়া অ্যাক্টিভেটেড চারকোল প্রয়োগ করা যেতে পারে এবং এটি বমি করানো বা গ্যাস্ট্রিক ল্যাভেজের চেয়ে সমান বা তার চেয়েও বেশি কার্যকর হতে পারে। লক্ষণভিত্তিক ও সহায়ক যত্নের পাশাপাশি হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা এবং অত্যাবশ্যকীয় লক্ষণগুলোর ক্রমাগত পর্যবেক্ষণ অপরিহার্য। বিলম্বিত জটিলতার ঝুঁকির কারণে রোগীদের বেশ কয়েকদিন পর্যবেক্ষণে রাখা উচিত। নিম্ন রক্তচাপের চিকিৎসায় এপিনেফ্রিন পরিহার করা উচিত এবং অ্যারিথমিয়ার চিকিৎসায় কুইনিডিন বা প্রোকেনামাইড ব্যবহার করা উচিত নয়। ক্লোজাপিনের অতিরিক্ত মাত্রার জন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই এবং ফোর্সড ডাইউরেসিস, ডায়ালাইসিস, হেমোপারফিউশন বা এক্সচেঞ্জ ট্রান্সফিউশনের মতো পদ্ধতিগুলো সাধারণত অকার্যকর। চিকিৎসকদের একাধিক ওষুধ সেবনের সম্ভাবনাও বিবেচনা করা উচিত।

থেরাপিউটিক ক্লাস

এটিপিক্যাল নিউরোলেপ্টিক ড্রাগস

সংরক্ষণ

৩০°সে.-এর বেশি তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করবেন না। আলো থেকে দূরে রাখুন এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

সাধারণ প্রশ্ন

ক্লোজাপিন কিসের ওষুধ?

ক্লোজাপিন এর কাজ কি?

ক্লোজাপিন এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলো কি কি?

ক্লোজাপিন বেশি খেলে কি হয়?

গর্ভাবস্থায় ক্লোজাপিন খাওয়া যাবে কি?

No available drugs found

  View in English