মেলাটোনিন বিভিন্ন ওষুধ ও পদার্থের সাথে পারস্পরিক ক্রিয়া করতে পারে:
অ্যান্টিডিপ্রেসেন্টস: মেলাটোনিন ডেসিপ্রামিন ও ফ্লুওক্সেটিনের কার্যকারিতা কমাতে পারে। ফ্লুওক্সেটিন শরীরে প্রাকৃতিক মেলাটোনিনের মাত্রাও কমিয়ে দিতে পারে।
অ্যান্টিসাইকোটিকস: স্কিজোফ্রেনিয়া বা টার্ডিভ ডিসকাইনেসিয়া রোগীদের ক্ষেত্রে, অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধের সাথে মেলাটোনিন ব্যবহার করলে অস্বাভাবিক মুখের নড়াচড়া কমতে পারে।
বেনজোডায়াজেপিনস: ট্রায়াজোলাম-এর সাথে ব্যবহার করলে ঘুমের মান উন্নত হতে পারে। মেলাটোনিন কিছু রোগীর দীর্ঘমেয়াদি বেনজোডায়াজেপিন ব্যবহার বন্ধ করতে সহায়তা করতে পারে।
রক্তচাপ কমানোর ওষুধ: মেলাটোনিন মেথোক্সামিন ও ক্লোনিডিনের কার্যকারিতা কমাতে পারে। ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার (যেমন নিফেডিপিন, ভেরাপামিল, ডিলটিয়াজেম, অ্যামলোডিপিন ইত্যাদি) মেলাটোনিনের মাত্রা কমাতে পারে। বিটা-ব্লকার (যেমন প্রোপ্রানোলল, এটেনোলল, মেটোপ্রোলল ইত্যাদি) শরীরে মেলাটোনিন উৎপাদন কমিয়ে দিতে পারে।
অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট (রক্ত পাতলা করার ওষুধ): ওয়ারফারিন ও অনুরূপ ওষুধের সাথে ব্যবহার করলে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
ইন্টারলিউকিন-২: একসাথে ব্যবহারে কিছু ক্যান্সার রোগীর টিউমার প্রতিক্রিয়া ও বেঁচে থাকার হার উন্নত হতে পারে।
NSAIDs (যেমন আইবুপ্রোফেন): এই ওষুধগুলো মেলাটোনিনের মাত্রা কমাতে পারে।
স্টেরয়েড ও ইমিউনোসাপ্রেসেন্ট ওষুধ: এই ওষুধগুলোর কার্যকারিতা কমে যেতে পারে।
ট্যামোক্সিফেন: কিছু ক্যান্সার রোগীর ক্ষেত্রে একসাথে ব্যবহারে উপকার পাওয়া যেতে পারে।
অন্যান্য পদার্থ: ক্যাফেইন, তামাক ও অ্যালকোহল মেলাটোনিনের মাত্রা কমাতে পারে, আর কোকেইন ও অ্যামফেটামিন এর মাত্রা বাড়াতে পারে।