মেসালাজিন ব্যবহৃত হয়:
- হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার সক্রিয় আলসারেটিভ কোলাইটিস ও ক্রোনস রোগের চিকিৎসায়
- আলসারেটিভ কোলাইটিসের উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ (রেমিশন বজায় রাখা)
- ক্রোনস রোগের উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ (রেমিশন বজায় রাখা)
মেসালাজিন ব্যবহৃত হয়:
মেসালামিনের কার্যপ্রণালী সম্পূর্ণভাবে জানা যায়নি, তবে এটি মূলত অন্ত্রে স্থানীয়ভাবে কাজ করে। দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহজনিত অন্ত্রের রোগে অ্যারাকিডোনিক অ্যাসিড থেকে উৎপন্ন বিভিন্ন উপাদান যেমন প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন ও লিউকোট্রিয়েনের পরিমাণ বেড়ে যায়। মেসালামিন সাইক্লোঅক্সিজেনেজ এনজাইমকে বাধা দিয়ে এবং প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন উৎপাদন কমিয়ে কোলনে প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
ট্যাবলেট ডোজ: হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার আলসারেটিভ কোলাইটিসের চিকিৎসা-
ওজন (কেজি) | সকালের ডোজ | সন্ধ্যার ডোজ | সময়কাল
১৭ থেকে <৩৩ | ৪০০ মি.গ্রা. এর ২টি ট্যাবলেট | ৪০০ মি.গ্রা. এর ১টি ট্যাবলেট | ৬ সপ্তাহ
৩৩ থেকে <৫৪ | ৪০০ মি.গ্রা. এর ৩টি ট্যাবলেট | ৪০০ মি.গ্রা. এর ২টি ট্যাবলেট | ৬ সপ্তাহ
হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার আলসারেটিভ কোলাইটিসে রেমিশন বজায় রাখা-
ক্রোনস রোগে রেমিশন বজায় রাখা-
প্রলংড রিলিজ গ্রানিউল ডোজ: আলসারেটিভ কোলাইটিসের চিকিৎসা-
প্রাপ্তবয়স্ক:
শিশু: ৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়। ৬-১৮ বছর বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে সীমিত তথ্য পাওয়া যায়।
৬ বছর বা তদূর্ধ্ব শিশু:
গ্রানিউল চিবানো যাবে না। স্যাশের ভেতরের উপাদান জিহ্বার উপর ঢেলে পানি বা কমলার রস দিয়ে গিলে ফেলতে হবে। বিকল্পভাবে, দইয়ের সাথে মিশিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সেবন করা যেতে পারে।
NSAIDs এবং Azathioprine-এর মতো অন্যান্য কিডনির জন্য ক্ষতিকর ওষুধ একসাথে ব্যবহার করলে কিডনির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
স্যালিসাইলেট বা এই ওষুধের যে কোনো উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা থাকলে ব্যবহার করা যাবে না।
সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে মাথাব্যথা, বমিভাব, মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, হজমের সমস্যা, বমি, চুলকানি ইত্যাদি।
গর্ভাবস্থায় শুধুমাত্র তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন সম্ভাব্য উপকার ঝুঁকির চেয়ে বেশি। স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।
পাইলোরিক স্টেনোসিসে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে ট্যাবলেট পাকস্থলীতে বেশি সময় থাকতে পারে, ফলে কোলনে ওষুধের মুক্তি বিলম্বিত হতে পারে। মেসালামিন ব্যবহারে কিডনির সমস্যা যেমন মিনিমাল চেঞ্জ নেফ্রোপ্যাথি এবং তীব্র বা দীর্ঘমেয়াদি ইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিস দেখা যেতে পারে। তাই যাদের আগে থেকে কিডনির সমস্যা আছে তাদের ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন। চিকিৎসা শুরু করার আগে এবং চলাকালীন সময়ে নিয়মিত কিডনি ফাংশন পরীক্ষা করা উচিত। পূর্বে লিভারের রোগ থাকলে মেসালামিন ব্যবহারে লিভার ফেইলিউরের ঘটনা রিপোর্ট হয়েছে, তাই লিভারের সমস্যায় সতর্কতা প্রয়োজন।
জেরিয়াট্রিক: ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসাকালে রক্তের কোষের মাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
বয়স্ক: বয়স্কদের কিডনি কার্যক্ষমতা কম থাকতে পারে, তাই সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত। চিকিৎসা শুরুর আগে কিডনি পরীক্ষা এবং চিকিৎসাকালে রক্ত পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
শিশু: নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা এখনো প্রতিষ্ঠিত নয়।
মেসালামিন অতিরিক্ত মাত্রায় সেবনের জন্য নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক নেই। চিকিৎসা হবে উপসর্গভিত্তিক ও সহায়ক, যেমন অতিরিক্ত শোষণ প্রতিরোধ, তরল ও ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য ঠিক রাখা এবং কিডনির কার্যকারিতা বজায় রাখা। এটি pH-নির্ভর বিলম্বিত-মুক্তি ফর্মুলেশন হওয়ায় অতিরিক্ত মাত্রা ব্যবস্থাপনায় বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।
অ্যামিনোসালিসাইলেটস
৩০° সেলসিয়াসের নিচে সংরক্ষণ করুন। আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন। সকল ওষুধ শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
মেসালাজিন [৫-এমাইনোস্যালিসাইলিক এসিড] কিসের ওষুধ ?
মেসালাজিন এর কাজ কি?
মেসালাজিন এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলো কি কি?
মেসালাজিন বেশি খেলে কি হয় ?
গর্ভাবস্থায় মেসালাজিন খাওয়া যাবে কি?
No available drugs found