প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য:
তীব্র রোগের ক্ষেত্রে শুরুতে ডিফ্লাজাকোর্ট ১২০ মি.গ্রা./দিন পর্যন্ত প্রয়োজন হতে পারে। অধিকাংশ অবস্থায় রক্ষণাবেক্ষণ (maintenance) ডোজ সাধারণত ৩–১৮ মি.গ্রা./দিনের মধ্যে থাকে।
রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস:
রক্ষণাবেক্ষণ ডোজ সাধারণত ৩–১৮ মি.গ্রা./দিন। সর্বনিম্ন কার্যকর ডোজ ব্যবহার করা উচিত এবং প্রয়োজনে ধীরে ধীরে বাড়ানো যেতে পারে।
ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা:
তীব্র আক্রমণের চিকিৎসায় রোগের তীব্রতার উপর নির্ভর করে ৪৮–৭২ মি.গ্রা./দিন পর্যন্ত উচ্চ ডোজ প্রয়োজন হতে পারে এবং আক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এলে ধীরে ধীরে ডোজ কমানো উচিত। দীর্ঘমেয়াদি অ্যাজমার ক্ষেত্রে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে সর্বনিম্ন কার্যকর ডোজ নির্ধারণ করতে হবে।
অন্যান্য রোগে:
ডোজ রোগীর ক্লিনিক্যাল প্রয়োজন অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সর্বনিম্ন কার্যকর ডোজ ব্যবহার করা উচিত। প্রাথমিক ডোজ অনুমান করতে হলে ৫ মি.গ্রা. প্রেডনিসোন বা প্রেডনিসোলোনের সমান প্রায় ৬ মি.গ্রা. ডিফ্লাজাকোর্ট ধরা যেতে পারে।
শিশুদের ক্ষেত্রে:
ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে শিশুদের উপর ডিফ্লাজাকোর্টের ব্যবহার সীমিত। শিশুদের ক্ষেত্রে গ্লুকোকর্টিকয়েড ব্যবহারের নির্দেশনা প্রাপ্তবয়স্কদের মতোই, তবে সর্বনিম্ন কার্যকর ডোজ ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিকল্প দিনে (alternate day) ডোজ দেওয়া উপযুক্ত হতে পারে। সাধারণত ডোজ ০.২৫–১.৫ মি.গ্রা./কেজি/দিনের মধ্যে থাকে।
নির্দেশনামূলক ডোজ রেঞ্জ:
- জুভেনাইল ক্রনিক আর্থ্রাইটিস: সাধারণ রক্ষণাবেক্ষণ ডোজ ০.২৫–১.০ মি.গ্রা./কেজি/দিন।
- নেফ্রোটিক সিন্ড্রোম: শুরুতে সাধারণত ১.৫ মি.গ্রা./কেজি/দিন, পরে ক্লিনিক্যাল প্রয়োজন অনুযায়ী ধীরে ধীরে কমানো হয়।
- ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা: শক্তি অনুপাতে প্রাথমিক ডোজ ০.২৫–১.০ মি.গ্রা./কেজি, বিকল্প দিনে।
ডিফ্লাজাকোর্ট বন্ধ করা (Withdrawal):
যেসব রোগী ৩ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় মাত্রার চেয়ে বেশি ডোজ (প্রায় ৯ মি.গ্রা./দিন বা সমতুল্য) গ্রহণ করেছেন, তাদের ক্ষেত্রে হঠাৎ করে ওষুধ বন্ধ করা উচিত নয়।
ডোজ কমানোর পদ্ধতি মূলত নির্ভর করে রোগটি ডোজ কমানোর সাথে সাথে পুনরায় ফিরে আসার (relapse) সম্ভাবনা আছে কিনা তার উপর।