ক্যালসিয়াম ডোবেসিলেট এন্ডোথেলিয়ামের অখণ্ডতা উন্নত করে, ক্যাপিলারি পারমিয়াবিলিটি কমায় এবং রক্তের সান্দ্রতা হ্রাস করে কাজ করে। এটি প্লেটলেট অ্যাগ্রিগেশন কমিয়ে মাইক্রোসার্কুলেশন উন্নত করে এবং টিস্যু ও অঙ্গসমূহে অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধি করে।
ক্যালসিয়াম ডোবেসিলেট
Generic Medicineবিস্তারিত
ক্যালসিয়াম ডোবেসিলেট একটি ভাসোঅ্যাকটিভ ওষুধ যা এন্ডোথেলিয়াল কার্যকারিতা, ক্যাপিলারি পারমিয়াবিলিটি এবং রক্তের সান্দ্রতার উপর কাজ করে। এটি অতিরিক্ত ক্যাপিলারি পারমিয়াবিলিটি কমায়, প্লেটলেটের জমাট বাঁধা (aggregation) কমায় এবং রক্তের সান্দ্রতা হ্রাস করে, ফলে মাইক্রোসার্কুলেশন উন্নত হয় এবং টিস্যুতে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি পায়।
ফার্মাকোলজি
ক্যালসিয়াম ডোবেসিলেট এন্ডোথেলিয়ামের অখণ্ডতা উন্নত করে, ক্যাপিলারি পারমিয়াবিলিটি কমায় এবং রক্তের সান্দ্রতা হ্রাস করে কাজ করে। এটি প্লেটলেট অ্যাগ্রিগেশন কমিয়ে মাইক্রোসার্কুলেশন উন্নত করে এবং টিস্যু ও অঙ্গসমূহে অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধি করে।
মাত্রা ও সেবনবিধি
প্রতিদিন ১ থেকে ২টি ৫০০ মিগ্রা ক্যাপসুল প্রধান খাবারের সাথে গ্রহণ করতে হবে। চিকিৎসার সময়কাল সাধারণত কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত হতে পারে, যা রোগের ধরন ও অগ্রগতির উপর নির্ভর করে। রোগের তীব্রতা অনুযায়ী ডোজ ব্যক্তিভেদে সমন্বয় করতে হবে।
প্রতিনির্দেশনা
ক্যালসিয়াম ডোবেসিলেটের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা থাকলে এই ক্যাপসুল ব্যবহার করা যাবে না। গুরুতর কিডনি অক্ষমতা এবং ডায়ালাইসিস প্রয়োজন হলে ডোজ কমানো উচিত। খুব বিরল ক্ষেত্রে ক্যালসিয়াম ডোবেসিলেট এগ্রানুলোসাইটোসিস সৃষ্টি করতে পারে, যা সম্ভবত অতিসংবেদনশীলতার কারণে হয়। এর লক্ষণ হিসেবে উচ্চ জ্বর, মুখগহ্বরের সংক্রমণ (যেমন টনসিলাইটিস), গলা ব্যথা এবং অ্যানোজেনিটাল প্রদাহ দেখা দিতে পারে। রোগীকে যেকোন সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসককে জানাতে হবে। এ ক্ষেত্রে দ্রুত রক্ত পরীক্ষা করা এবং চিকিৎসা বন্ধ করা জরুরি।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
মাঝেমধ্যে বমিভাব, ডায়রিয়া, ত্বকের প্রতিক্রিয়া, জ্বর এবং জয়েন্টে ব্যথা দেখা যেতে পারে। খুব বিরল ক্ষেত্রে এগ্রানুলোসাইটোসিস হতে পারে। এসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সাধারণত চিকিৎসা বন্ধ করলে সেরে যায়। গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা হলে ডোজ কমানো বা সাময়িকভাবে চিকিৎসা বন্ধ করা যেতে পারে। ত্বকের প্রতিক্রিয়া, জ্বর, জয়েন্টে ব্যথা বা রক্তের পরিবর্তন হলে চিকিৎসা বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে, কারণ এগুলো অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ হতে পারে।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
গর্ভবতী নারী বা প্রাণীর উপর পর্যাপ্ত গবেষণা নেই। এটি মানুষের ক্ষেত্রে প্লাসেন্টা অতিক্রম করে কিনা তা জানা নেই, তাই উপকার ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে তবেই ব্যবহার করা উচিত। ক্যালসিয়াম ডোবেসিলেট খুব অল্প পরিমাণে বুকের দুধে নির্গত হয়। সতর্কতার জন্য চিকিৎসা বা স্তন্যদান—যেকোনো একটি বন্ধ রাখা উচিত।
সতর্কতা
গুরুতর কিডনি অক্ষমতা এবং ডায়ালাইসিস প্রয়োজন হলে ডোজ কমানো উচিত। বিরল ক্ষেত্রে এই ওষুধ শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা কমাতে পারে (এগ্রানুলোসাইটোসিস), ফলে সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। রোগীর কাশি, গলা ব্যথা, জ্বর বা ফ্লু-এর মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে।
মাত্রাধিকত্যা
অতিরিক্ত ডোজের ক্লিনিক্যাল লক্ষণ সুস্পষ্টভাবে জানা নেই।
থেরাপিউটিক ক্লাস
ভাসো প্রোটেকটিভ
সংরক্ষণ
৩০°C এর নিচে তাপমাত্রায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
সাধারণ প্রশ্ন
ক্যালসিয়াম ডোবেসিলেট কিসের ওষুধ?
ক্যালসিয়াম ডোবেসিলেট এর কাজ কি?
ক্যালসিয়াম ডোবেসিলেট এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলো কি কি?
ক্যালসিয়াম ডোবেসিলেট বেশি খেলে কি হয়?
গর্ভাবস্থায় ক্যালসিয়াম ডোবেসিলেট খাওয়া যাবে কি?