এই যৌগিক ক্যাপসুলটি আয়রন, ফলিক এসিড এবং জিঙ্কের ঘাটতির চিকিৎসা ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে গর্ভাবস্থা ও দুগ্ধদানকালীন সময়ে।
কার্বোনিল আয়রন + ফলিক এসিড + জিঙ্ক সালফেট
Generic Medicineকম্পোজিশন
প্রতি ক্যাপসুলে রয়েছে এলিমেন্টাল আয়রন ৫০ মি.গ্রা. (কার্বোনিল আয়রন INN হিসেবে), ফলিক এসিড BP ৫০০ মাইক্রোগ্রাম এবং জিঙ্ক সালফেট মনোহাইড্রেট USP ৬১.৮০ মি.গ্রা. (যা ২২.৫০ মি.গ্রা. জিঙ্কের সমতুল্য)।
ফার্মাকোলজি
এটি কার্বোনিল আয়রন, ফলিক এসিড এবং জিঙ্ক সালফেট মনোহাইড্রেটের একটি সাসটেইনড-রিলিজ প্রস্তুতি। এতে কমপক্ষে ৯৮% আয়রন সমৃদ্ধ কার্বোনিল আয়রন রয়েছে, যা উচ্চ বায়োঅ্যাভেইলেবিলিটি এবং কম বিষাক্ততার কারণে নিরাপদ ও কার্যকর আয়রন সাপ্লিমেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মাত্রা ও সেবনবিধি
প্রাপ্তবয়স্ক: প্রতিদিন খাবারের আগে ১টি ক্যাপসুল অথবা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী গ্রহণ করতে হবে।
ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া
কার্বোনিল আয়রন টেট্রাসাইক্লিন, কুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক, লেভোডোপা, লেভোথাইরোক্সিন, মিথাইলডোপা এবং পেনিসিলামিনের শোষণ কমাতে পারে। ফলিক এসিড অ্যান্টিএপিলেপটিক ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া করতে পারে, ফলে ফেনোবারবিটাল, ফেনাইটইন এবং প্রিমিডোনের রক্তের মাত্রা কমে যেতে পারে।
প্রতিনির্দেশনা
যেসব রোগীর এই ওষুধের কোনো উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা রয়েছে বা যাদের শরীরে অতিরিক্ত আয়রন জমে থাকে, তাদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা উচিত নয়।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা যেমন বমিভাব, ক্ষুধামন্দা, বমি, পেটে অস্বস্তি, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং ডায়রিয়া হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে কালো রঙের মল দেখা যেতে পারে। কার্বোনিল আয়রন পেলেট ব্যবহারের ফলে পাকস্থলীর জ্বালাপোড়া কম হয় এবং অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া খুবই বিরল।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
গর্ভাবস্থার প্রথম ত্রৈমাসিকে সম্ভব হলে ওষুধ ব্যবহার এড়ানো উচিত। প্রাথমিক পর্যায়ে আয়রন সাপ্লিমেন্ট শুধুমাত্র আয়রনের ঘাটতি নিশ্চিত হলে দেওয়া উচিত। পরবর্তী সময়ে, বিশেষ করে খাদ্যঘাটতির ক্ষেত্রে, আয়রন, ফলিক এসিড এবং জিঙ্ক সাপ্লিমেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
সতর্কতা
আয়রন ওভারলোড যেমন হেমোক্রোমাটোসিস, হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়া বা রেড ব্লাড সেল অ্যাপ্লাসিয়া থাকলে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত। চিকিৎসায় সাড়া না দিলে অন্যান্য কারণ নির্ণয়ের জন্য পরীক্ষা করা প্রয়োজন। কিডনি সমস্যায় জিঙ্ক জমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে।
মাত্রাধিকত্যা
অতিরিক্ত ডোজে ক্লান্তি, বমিভাব, পেট ব্যথা, কালো মল, দুর্বলতা, দ্রুত নাড়ির স্পন্দন, জ্বর, কোমা এবং খিঁচুনি হতে পারে।
থেরাপিউটিক ক্লাস
আয়রন, ভিটামিন & মিনারেল কম্বাইন্ড প্রিপারেশন
সংরক্ষণ
৩০°সে. এর নিচে তাপমাত্রায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন এবং সকল ওষুধ শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
সাধারণ প্রশ্ন
কার্বোনিল আয়রন + ফলিক এসিড + জিঙ্ক সালফেট কিসের ওষুধ?
কার্বোনিল আয়রন + ফলিক এসিড + জিঙ্ক সালফেট এর কাজ কি?
কার্বোনিল আয়রন + ফলিক এসিড + জিঙ্ক সালফেট এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলো কি কি?
কার্বোনিল আয়রন + ফলিক এসিড + জিঙ্ক সালফেট বেশি খেলে কি হয়?
গর্ভাবস্থায় কার্বোনিল আয়রন + ফলিক এসিড + জিঙ্ক সালফেট খাওয়া যাবে কি?
No available drugs found