তীব্র বিষক্রিয়ায় লবণাক্ত বা সাবানের মতো স্বাদ, অতিরিক্ত লালা, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা, পেট ব্যথা, দুর্বলতা, তন্দ্রা, মাথা ঘোরা ও শ্বাসপ্রশ্বাস হালকা হয়ে যেতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে হাইপোক্যালসেমিয়া, হাইপোম্যাগনেসেমিয়া, হাইপারক্যালেমিয়া, খিঁচুনি, হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতা, শক, শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া ও হৃদযন্ত্র বিকল হতে পারে। ২–৪ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু ঘটতে পারে। চিকিৎসায় লেবু পানি বা ক্যালসিয়ামযুক্ত দ্রবণ দিয়ে গ্যাস্ট্রিক ল্যাভেজ করা হয়। বেশি প্রস্রাব নিশ্চিত করতে হয়। ক্যালসিয়াম গ্লুকোনেট ধীরে শিরায় দেওয়া যেতে পারে। ম্যাগনেসিয়াম সালফেট হাইপোম্যাগনেসেমিয়ায় ব্যবহৃত হয় এবং অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড শোষণ কমাতে সাহায্য করে। প্রয়োজনে হেমোডায়ালাইসিস করা যেতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি বিষক্রিয়ায় হাড়ে ব্যথা, শক্তভাব, নড়াচড়া কমে যাওয়া ও বিকৃতি দেখা দিতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গ্রহণে দাঁতে দাগ পড়তে পারে।