অ্যাসিটাজোলামাইড ওপেন-অ্যাঙ্গেল গ্লুকোমা ও সেকেন্ডারি গ্লুকোমার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও এটি এডিমা ও মৃগী রোগের চিকিৎসায় সহায়ক (অ্যাডজুভেন্ট) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
অ্যাসিটাজোলামাইড
Generic Medicineফার্মাকোলজি
অ্যাসিটাজোলামাইড একটি কার্বনিক অ্যানহাইড্রেজ ইনহিবিটর, যা কার্বন ডাই-অক্সাইড ও কার্বনিক অ্যাসিডের পারস্পরিক রূপান্তরে জড়িত এনজাইমকে বাধা দেয়। চোখে এটি অ্যাকুয়াস হিউমার উৎপাদন কমায়, ফলে চোখের অভ্যন্তরীণ চাপ কমে, যা গ্লুকোমার ক্ষেত্রে উপকারী। কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে এই এনজাইমের কার্যক্রম কমিয়ে এটি অস্বাভাবিক স্নায়বিক কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, তাই এটি মৃগী রোগের চিকিৎসায় সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মাত্রা ও সেবনবিধি
প্রাপ্তবয়স্ক: শুরুতে ২৫০ মিগ্রা (১টি ট্যাবলেট) দিনে ৪ বার। পরবর্তীতে ব্যক্তিগত প্রয়োজন অনুযায়ী ডোজ সমন্বয় করতে হবে।
শিশু: ½ থেকে ২টি ট্যাবলেট বিভক্ত মাত্রায়।
চোখের অভ্যন্তরীণ চাপের ক্ষেত্রে: প্রতি ৬ ঘণ্টা অন্তর ১টি ট্যাবলেট। তীব্র অবস্থায় প্রথমে ২টি ট্যাবলেট দিয়ে শুরু করতে হবে, এরপর প্রতি ৬ ঘণ্টা অন্তর ১টি ট্যাবলেট বা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী।
প্রতিনির্দেশনা
যাদের গুরুতর কিডনি বা লিভারের রোগ রয়েছে অথবা রক্তে সোডিয়াম বা পটাশিয়ামের মাত্রা কম, তাদের ক্ষেত্রে অ্যাসিটাজোলামাইড ব্যবহার করা উচিত নয়। এছাড়াও ক্রনিক নন-কনজেস্টিভ অ্যাঙ্গেল-ক্লোজার গ্লুকোমায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য এটি নিষিদ্ধ।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে মাথাব্যথা, ঘুম ঘুম ভাব, মাথা ঘোরা, ক্লান্তি, ক্ষুধামন্দা, বেশি প্রস্রাব হওয়া, অনিদ্রা এবং পেটের অস্বস্তি।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
গর্ভবতী নারী ও নবজাতকের ক্ষেত্রে অ্যাসিটাজোলামাইড ব্যবহারের উপর পর্যাপ্ত ও নিয়ন্ত্রিত গবেষণা নেই। তাই গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত।
থেরাপিউটিক ক্লাস
অ্যাসিটাজোলামাইড কার্বনিক অ্যানহাইড্রেজ ইনহিবিটর শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
সংরক্ষণ
৩০° সেলসিয়াসের নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
সাধারণ প্রশ্ন
অ্যাসিটাজোলামাইড এর কাজ কি?
অ্যাসিটাজোলামাইড এর ব্যবহার?
অ্যাসিটাজোলামাইড এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কি?
অ্যাসিটাজোলামাইড কিভাবে সেবন করতে হয়?
অ্যাসিটাজোলামাইড কতদিন সেবন করতে হয়?