- পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS)-এর সাথে সম্পর্কিত উপসর্গ যেমন মাসিক অনিয়ম, ডিম্বাণু নিঃসরণ না হওয়া (anovulation), অতিরিক্ত লোম (hirsutism), ত্বকে কালো দাগ (acanthosis nigricans), ব্রণ, স্থূলতা এবং PCOS-জনিত বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা ও প্রতিরোধ
- গর্ভকালীন ডায়াবেটিস মেলিটাস (Gestational diabetes mellitus)
- ওভারিয়ান হাইপারস্টিমুলেশন সিনড্রোম
- বন্ধ্যাত্ব (Infertility)
- গর্ভপাত (Miscarriage)
ডি-চিরো-ইনোসিটল + মায়ো-ইনোসিটল
Generic Medicineনির্দেশনা
ফার্মাকোলজি
ডি-চাইরো-ইনোসিটল একটি প্রাকৃতিকভাবে বিদ্যমান ইনোসিটল আইসোমার, যা দক্ষিণ ইউরোপে জন্মানো ক্যারোব (Ceratonia siliqua) গাছের ফলের শুঁটি থেকে পেটেন্টকৃত প্রক্রিয়ায় সংগ্রহ করা হয়। ডি-চাইরো-ইনোসিটল এবং মায়ো-ইনোসিটলের নির্দিষ্ট অনুপাতে সমন্বয় হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ঠিক করতে এবং মাসিক চক্র নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে, যার ফলে ডিম্বস্ফোটন (ovulation) উন্নত হয়। এই সমন্বয় প্রোল্যাক্টিন, টেস্টোস্টেরন এবং লুটিনাইজিং হরমোনের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমায় এবং ফলিকল স্টিমুলেটিং হরমোন (FSH) ও লুটিনাইজিং হরমোন (LH)-এর অনুপাত ভারসাম্যপূর্ণ করতে সাহায্য করে। এটি ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায়, ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি করে এবং ডিম্বাশয়ের ফলিকলের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়। এটি ফলিকল বিকাশে সহায়তা করে, ডিমের গুণমান উন্নত করে এবং নারীদের ডিম্বস্ফোটন পুনরুদ্ধার করে গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়ায়। এছাড়া এটি গর্ভকালীন ডায়াবেটিস মেলিটাস প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS)-জনিত উপসর্গ কমিয়ে নারীদের উর্বরতা উন্নত করে।
মাত্রা ও সেবনবিধি
- মুখে সেবনের জন্য: প্রতিদিন ২টি ট্যাবলেট অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী
- চিকিৎসার সময়কাল কমপক্ষে ৩ মাস হতে হবে অথবা চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী গ্রহণ করতে হবে
ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া
এই ওষুধটি ডিগক্সিনের সাথে একসাথে ব্যবহার করলে ডিগক্সিনের বিষাক্ততা (toxicity) বেড়ে যেতে পারে। এছাড়া ডি-চাইরো-ইনোসিটল এবং মায়ো-ইনোসিটল একসাথে ব্যবহার করলে অ্যান্টিডায়াবেটিক ওষুধের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পেতে পারে, তাই ডোজ সমন্বয় ও সতর্ক পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন হতে পারে।
প্রতিনির্দেশনা
ডি-চাইরো-ইনোসিটল এবং মায়ো-ইনোসিটলের প্রতি পরিচিত অতিসংবেদনশীলতা (hypersensitivity) রয়েছে এমন রোগীদের ক্ষেত্রে এই ওষুধ ব্যবহার করা contraindicated।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
প্রস্তাবিত ডোজে সাধারণত এটি ভালোভাবে সহ্য হয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া এবং পেট ফাঁপা (flatulence) হতে পারে।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
গর্ভবতী নারীদের ওপর পরিচালিত একাধিক মানব গবেষণায় ডি-চাইরো-ইনোসিটল ও মায়ো-ইনোসিটলের সমন্বিত ব্যবহারে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ক্লিনিক্যাল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। তবে স্তন্যদানকালীন সময়ে এর নিরাপত্তা সম্পর্কে কোনো প্রকাশিত ক্লিনিক্যাল তথ্য নেই।
সতর্কতা
লিভার বা হেপাটিক (যকৃত) সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এই ওষুধ ব্যবহারের বিষয়ে সীমিত তথ্য পাওয়া যায়। যাদের লিভারের সমস্যা আছে বা এ বিষয়ে কোনো উদ্বেগ রয়েছে, তাদের অবশ্যই ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
থেরাপিউটিক ক্লাস
হার্বাল অ্যান্ড নিউট্রাসিউটিক্যালস
সংরক্ষণ
৩০°সে-এর নিচে তাপমাত্রায় একটি শুষ্ক ও ঠান্ডা স্থানে সংরক্ষণ করতে হবে এবং আলো থেকে সুরক্ষিত রাখতে হবে। সব ওষুধ শিশুদের নাগালের বাইরে রাখতে হবে।
সাধারণ প্রশ্ন
D-chiro-inositol + Myo-inositol কিসের জন্য ব্যবহার করা হয়?
ডি-কায়রো-ইনোসিটল + মায়ো-ইনোসিটল এর কাজ কি?
ডি-কায়রো-ইনোসিটল + মায়ো-ইনোসিটল এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কি কি?
ডি-কায়রো-ইনোসিটল + মায়ো-ইনোসিটল বেশি খেলে কি হয়?
ডি-কায়রো-ইনোসিটল + মায়ো-ইনোসিটল গর্ভাবস্থায় খাওয়া যাবে কি?