বিসাকোডিল ব্যবহৃত হয়:
- কোষ্ঠকাঠিন্যের চিকিৎসায়
- কোলনের রেডিওগ্রাফিক বা এন্ডোস্কোপিক পরীক্ষার পূর্ব প্রস্তুতির জন্য
বিসাকোডিল ব্যবহৃত হয়:
বিসাকোডিল একটি ডাইফেনোলিক যৌগ, যার রাসায়নিক গঠন ফেনলফথ্যালিনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। এটি একটি বহুল ব্যবহৃত জোলাপ। এটি কোলনে পেরিস্টালসিস উদ্দীপিত করে এবং অন্ত্রের লুমেনে পানি ও ইলেকট্রোলাইট জমা বাড়ায়। সিকামে পৌঁছানোর পর এটি পুরো কোলনে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
কোষ্ঠকাঠিন্য-
রেডিওলজিক্যাল পরীক্ষা ও অস্ত্রোপচারের আগে-
ইলিয়াস, অন্ত্রের বাধা, তীব্র অ্যাবডোমিনাল অবস্থা যেমন অ্যাপেন্ডিসাইটিস, ইনফ্ল্যামেটরি বাওয়েল ডিজিজ এবং তীব্র পানিশূন্যতার ক্ষেত্রে বিসাকোডিল ব্যবহার করা উচিত নয়।
প্রস্তাবিত মাত্রায় ব্যবহার করলে বিসাকোডিল সাধারণত নিরাপদ। তবে অতিরিক্ত ব্যবহার ডায়রিয়া ও ম্যালঅ্যাবসর্পশন ঘটাতে পারে। দীর্ঘদিন বা বেশি মাত্রায় ব্যবহার করলে শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি হতে পারে।
গর্ভাবস্থায়, বিশেষ করে প্রথম ত্রৈমাসিকে, বিসাকোডিল ব্যবহার এড়ানো উচিত। স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।
বিসাকোডিল অতিরিক্ত ব্যবহার করলে শরীরে তরল ও ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে জোলাপের উপর নির্ভরশীলতা তৈরি হতে পারে।
স্টিমুল্যান্ট পারগেটিভস
ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে, আলো থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন।
বিসাকোডিল কিসের ওষুধ?
বিসাকোডিল এর কাজ কি?
বিসাকোডিল এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলো কি কি?
বিসাকোডিল বেশি খেলে কি হয় ?
গর্ভাবস্থায় বিসাকোডিল খাওয়া যাবে কি?
No available drugs found